জাতীয়

উত্তাল আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ ভেসে যাবে:মির্জা ফখরুল

ঢাকা, ১৩ জুন- সরকার পতনের আন্দোলন শুরুর আগে অতি দ্রুত দলের মধ্যকার ‘বিভেদ’ দূর করার জন্য নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শনিবার দুপুরে এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় বিএনপিনেতা এই আহ্বান জানান। গাজীপুর জেলা ও মহানগর বিএনপির উদ্যোগে দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪০তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে এই সভার আয়োজন করা হয়।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘খুব পরিষ্কারভাবে বলতে চাই, আওয়ামী লীগ কী করছে করুক। জনগণের কাছে তাদের অন্যায় টিকে থাকতে পারবে না, তারা ভেসে যাবে। জনগণের উত্তাল আন্দোলনের মধ্য দিয়ে তারা (আওয়ামী লীগ) ভেসে যাবে এবং জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা হবে।’

‘আসুন, অতি দ্রুত আমরা নিজেদেরকে পুরোপুরি সংগঠিত করে ফেলি। নিজেদের মধ্যে ভুল বুঝাবুঝি, বিভেদগুলো দূর করি এবং একত্রিত হয়ে, ঐক্যবদ্ধ হয়ে জনগণকে একত্রিত করি। এই যে দানব আমাদের বুকে ওপর চেপে বসেছে তাকে সরিয়ে সত্যিকার অর্থেই একটি নিরপেক্ষ সরকার ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের অধীনে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে মধ্য দিয়ে আমরা যেন জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে পারি, গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে পারি সেজন্য কাজ করি।’

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ‘দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে তার আগেই মুক্ত করতে হবে। তাছাড়া এখানে গণতান্ত্রিক আন্দোলন হবে না। দেশনেত্রীর মুক্তির আন্দোলন দিয়েই শুরু করতে হবে গণতন্ত্রের মুক্তির আন্দোলন।’

সভায় দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘আমরা দলের মধ্যে নেতার সংখ্যা যে হারে বৃদ্ধি করতে পেরেছি, কর্মীর সংখ্যা সেই হারে বৃদ্ধি করতে পারি নাই। সেজন্য আজকে সবাইকে কর্মীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে হবে।’

বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আমানউল্লাহ আমান বলেন, ‘নব্বইয়ের চেতনায় আরেকটি গণঅভ্যুত্থান সৃষ্টি করে ছাত্র-যুবকদের সংগঠিত করে সব রাজনৈতিক দল ও জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করে রাজপথে নেমে চূড়ান্ত আন্দোলন শুরু করব ইনশাল্লাহ।’

বিএনপির গাজীপুর জেলা সভাপতি ও কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলনের সভাপতিত্বে ও সহসাংগঠনিক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল এবং নির্বাহী কমিটির সদস্য ওমর ফারুক শাফিনের সঞ্চালনায় ভার্চুয়াল সভায় আবদুস সালাম আজাদ, সালাহ উদ্দিন সরকার, কাজী ছাইয়েদুল আলম বাবুল, সোহরাব উদ্দিন, মজিবুর রহমান, হুমায়ুন কবির খান, মীর হালিমুজ্জামান ননি, খন্দকার আজিজুর রহমান পেয়ারা, হুমায়ুন কবীর মাস্টার, শওকত হোসেন সরকার, মাহবুব আলম শুক্কুর, ফিরোজ আহমেদ, শ্রীপুরের শাহজাহান ফকির, কাপাসিয়ার খলিলুর রহমান প্রমুখ বক্তব্য দেন।

তথ্যসূত্র:এনটিভি
এস সি/১৩ জুন

Back to top button