ক্রিকেট

সাকিব-তামিমের লড়াই ছাপিয়ে মোস্তাফিজের ৫ উইকেট

ঢাকা, ০৬ জুন – দেশের ক্রিকেটের দুই বড় তারকা সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবালের লড়াই দেখতে উন্মুখ ছিলেন দেশের ক্রিকেটপ্রেমীরা। তবে তাদের লড়াই ছাপিয়ে সব নজর কেড়ে নিলেন মোস্তাফিজুর রহমান।

বল হাতে দারুণ ঝলক দেখিয়ে ৫ উইকেট তুলে নিয়েছেন এই বাঁহাতি পেসার। তবে তার এমন দুর্দান্ত বোলিং সত্ত্বেও জয় পায়নি তার দল প্রাইম ব্যাংক।

ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের (ডিপিএল) ১৮তম ম্যাচে শনিবার প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবকে ২৭ রানে হারিয়েছে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। মিরপুর শের-ই-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুরুতে ব্যাট করে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৫০ রানের সংগ্রহ পায় সাকিবের দল মোহামেডান। জবাবে ১২৩ রান তুলতেই সব উইকেট হারিয়ে ফেলে প্রাইম ব্যাংক।

শুরুতে ব্যাট করতে নেমে ২ উইকেট হারিয়ে ৯৮ রান তুলে ফেলে মোহামেডান। এরপরও তাদের রানের চাকা সচল থাকে অনেকটা সময়। মোস্তাফিজ ঝলকের শুরু সাকিবকে দিয়েই।

প্রথম ২ ওভারে ১৩ রান দিয়ে উইকেটশূন্য থাকা ফিজ নিজের শেষ দুই ওভারেই ৫ উইকেট নেন। ইনিংসের ১৭তম ওভারে ফিজের শিকারের শুরুটা হয় বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিবকে দারুণ এক ইয়র্কারে বোল্ড করে। ওই ওভারে তিনি ফিরিয়ে দেন শামসুর রহমান আর শুভাগত হোমকে।

টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে ৮০ ভাগ উইকেটই মুস্তাফিজ নিয়েছেন ডেথ ওভারে। আজ তার শেষ দুই শিকার হলেন আবু হায়দার ও তাসকিন আহমেদ।

২২ রানে ৫ উইকেট মোস্তাফিজের ক্যারিয়ার সেরা বোলিং ফিগার। এর আগে কলকাতার ইডেন গার্ডেনে ২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ঠিক ২২ রানেই ৫ উইকেট নিয়েছিলেন। তার বোলিংয়ে আজ ৩ উইকেটে ১৩৬ রান তোলা মোহামেডান ১৫০ রানেই থেমে যায়।

লক্ষ্য তাড়ায় নেমে অবশ্য মোস্তাফিজের দল সুবিধা করতে পারেনি। দলীয় ১০ রানে ওপেনার ও অধিনায়ক আনামুল হকের (৩) উইকেট হারানোর পর থেকে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়েছে প্রাইম ব্যাংক। আরেক ওপেনার তামিম ২০ বল খেলে করেছেন ২০ রান। সর্বোচ্চ ২৫ রান (১৮ বলে) এসেছে মোহাম্মদ মিঠুনের ব্যাট থেকে।

বল হাতে মোহামেডানের পেসার তাসকিন আহমেদ ৩.৩ ওভার বল করে ১৫ রান খরচে নিয়েছেন ৩ উইকেট। আরেক পেসার আবু জায়েদও ৩ উইকেট ঝুলিতে পুরেছেন। অধিনায়ক সাকিব ৪ ওভারে ১৬ রানে ২ উইকেট তুলে নিয়েছেন। ১টি করে উইকেট গেছে শুভাগত হোম ও আবু হায়দারের দখলে।

দল হারলেও ম্যাচ সেরা নির্বাচিত হয়েছেন প্রাইম ব্যাংকের মোস্তাফিজুর রহমান।

সূত্র : বিডিনিউজ
এন এইচ, ০৬ জুন

Back to top button