পশ্চিমবঙ্গ

তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হলেন অভিষেক

কলকাতা, ০৫ জুন – তৃণমূলে বড় দায়িত্ব পেলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাতিজা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাকে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়েছে। অর্থাৎ বলা যায় আজ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড।

খবরে বলা হয়েছে, শনিবার তৃণমূলের দলীয় বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। অভিষেককে বড় পদ দেয়ার পাশাপাশি ব্যাপক সাংগঠনিক রদবদলও হয়েছে তৃণমূলে।

খবরে আরো জানানো হয়, রাজ্যের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে শনিবার বৈঠকে বসেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে ‘এক ব্যক্তি, এক পদ’ নীতি মেনে যুব তৃণমূল সভাপতির পদ থেকে প্রথমে ইস্তফা দেন অভিষেক। তার পদে আসেন অভিনেত্রী সায়নী ঘোষ। সায়নী এবার আসানসোল দক্ষিণের প্রার্থী হিসেবে বিধানসভা নির্বাচনে লড়ে হেরেছেন। তবে প্রচার-প্রচারণায় আলো ছড়িয়েছেন। ধারণা করা হচ্ছে সেই ভালো কাজেরই স্বীকৃতি স্বরূপ তাকে যুব তৃণমূল সভাপতি করা হয়েছে।

এরপরই তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক করা হয় অভিষেককে। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের কথা মাথায় রেখেই অভিষেককে দলের বড় দায়িত্ব দেয়া হলো বলে দলীয় সূত্রে খবর।

গেল বিধানসভা নির্বাচনী প্রচার থেকেই ফ্রন্ট লাইনে দেখা যায় অভিষেককে। দলীয় কর্মীদের চাঙ্গা করতে, প্রার্থীদের হয়ে প্রচারে কোনও ঘাটতি রাখেননি তিনি। একাধিক জেলায় তৃণমূলকে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাইয়েছেন। অথচ নির্বাচনী লড়াইয়ে জিততে কেন্দ্রের নেতা-মন্ত্রীরা তাকেই বারবার নিশানা করেছেন।

‘তোলাবাজ ভাইপো’ বলে তোপ দেগেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা, প্রত্যেকেই। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকারের তীব্র বাক্যবাণকে উপেক্ষা করে একুশের ভোটে নিজের রাজনৈতিক দূরদর্শিতার প্রমাণ দিয়েছেন অভিষেক।

এদিকে বৈঠকে সর্বভারতীয় মহিলা তৃণমূলের সভাপতি করা হয়েছে কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে। এছাড়াও বৈঠকে বারাকপুরের বিধায়ক ও চলচ্চিত্র পরিচালক রাজ চক্রবর্তীকে তৃণমূলের কালচারাল প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব দেয়া হয়।

এন এইচ, ০৫ জুন

Back to top button