সম্পাদকের পাতা

ডিজিটাল দর্পণে আমরা: ফেসবুক ও সোশ্যাল মিডিয়ার সহজপাঠ

নজরুল মিন্টো

পূর্বকথা:
আমি—একজন সংবাদকর্মী ও মিডিয়া পেশাজীবী। ১৯৯৮ সালেই আমার প্রতিষ্ঠিত বাংলা মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘দেশে বিদেশে’ অনলাইনে আসে—যা ছিল গুগলের জন্মেরও এক বছর আগে!

আমি গত ৩৫ বছর ধরে মিডিয়া জগতে সক্রিয়। সময়ের হাত ধরে এগিয়ে এসেছি প্রিন্ট মিডিয়া থেকে ইলেকট্রনিক, সেখান থেকে ওয়েব আর এখন সোশ্যাল মিডিয়ার তরঙ্গে। কানাডার অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সেন্টেনিয়াল কলেজ থেকে আমি ইন্টারেক্টিভ ডিজিটাল মিডিয়া বিষয়ে স্নাতক (ডিন’স অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত), এবং ওয়েব ডিজাইন ও সোশ্যাল মিডিয়া বিষয়ে টরন্টোর হাম্বার কলেজ ও সেনেকা কলেজ থেকে পেশাগত প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছি।

আমি একজন সার্টিফায়েড সোশ্যাল মিডিয়া এক্সপার্ট, এবং বর্তমানে আমার হাতে পরিচালিত হয় একাধিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম। আমার ফেসবুক পেজের ফলোয়ার্স সংখ্যা বিশ্বজুড়ে ২১ লাখের বেশি। এছাড়া রয়েছে দু’টি গ্রুপ, একটি ইউটিউব চ্যানেল। সবগুলো প্ল্যাটফর্মই গ্লোবাল অডিয়েন্সের জন্য উন্মুক্ত এবং সক্রিয়ভাবে মনেটাইজড।

আজকের লেখাটি আমি লিখছি একান্তই আমার অভিজ্ঞতার আলোকে। একজন মিডিয়া ব্যক্তিত্ব হিসেবে, একজন ডিজিটাল পেশাজীবী হিসেবে, এবং সর্বোপরি একজন দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে—আমি দেখেছি সোশ্যাল মিডিয়া কীভাবে মানুষের জীবনকে বদলে দিচ্ছে। কেউ তা দিয়ে হাজার হাজার ডলার আয় করছে, কেউ প্রচার করছেন, আবার কেউ নিজের অজান্তেই হয়ে উঠছেন বিভ্রান্তির বাহক।

এই লেখায় আমি বলব সোশ্যাল মিডিয়ার ইতিবাচক ও নেতিবাচক দিক, সচেতনভাবে ব্যবহার কীভাবে সম্ভব, কীভাবে ফেসবুক-ইউটিউব থেকে আয় করা যায়, কীভাবে নিজেকে রক্ষা করা যায় সাইবার বিপদের হাত থেকে—সব কিছুই তুলে ধরব, তথ্য-উপাত্ত আর অভিজ্ঞতার ছায়ায়।

ভূমিকা:
এক সময় ‘ডায়েরি’ ছিল আমাদের আবেগ প্রকাশের একান্ত মাধ্যম। আমরা কী ভাবি, কী করি, কী স্বপ্ন দেখি, কিংবা কী নিয়ে রাগ করি—সব কিছু লিখে রাখতাম পাতায় পাতায়। আজ সেই ডায়েরি রূপ নিয়েছে ডিজিটাল আঙ্গিকে—নাম তার ‘সোশ্যাল মিডিয়া’। আর এই সোশ্যাল মিডিয়ার রাজপুত্র হলো ফেসবুক।

২০০৪ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি, মার্ক জাকারবার্গ হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ডরমরুম থেকে ফেসবুকের যাত্রা শুরু করেন। শুরুতে কেবল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও বর্তমানে ফেসবুক দৈনিক প্রায় ২ বিলিয়ন (২ হাজার কোটি) ব্যবহারকারীর একটি মহাবিশ্ব, যা ভৌগলিক সীমা ছাড়িয়ে সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক প্রতিটি পরতে ছড়িয়ে পড়েছে। এর পরপরই আসে ইউটিউব, টুইটার (বর্তমানে ‘এক্স’), ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ, স্ন্যাপচ্যাট, টিকটক, লিঙ্কডইন—একটি আরেকটি টপকে চলেছে জনপ্রিয়তার প্রতিযোগিতায়।

সোশ্যাল মিডিয়া হচ্ছে এমন এক প্ল্যাটফর্ম, যেখানে আপনি কথা বলেন, ভাব প্রকাশ করেন, ছবি দেখান, এমনকি আন্দোলন শুরু করতে পারেন। শিক্ষা, রাজনীতি, সমাজসেবা, ধর্মীয় চর্চা, পণ্য বিপণন—সব কিছুই এখন এর আওতায় চলে এসেছে। এ যেন এক ডিজিটাল মঞ্চ—যেখানে আপনি যেমন অভিনেতা, তেমনই দর্শক।

বর্তমানে জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়াগুলো ও তাদের বৈশিষ্ট্য:

  • ফেসবুক: বহুমাত্রিক মাধ্যম—স্ট্যাটাস, লাইভ, ভিডিও, মার্কেটপ্লেস, ইভেন্ট সবই এতে আছে।
  • ইউটিউব: ভিডিও কনটেন্টের রাজা। গান, সিনেমা, টিউটোরিয়াল থেকে আয় পর্যন্ত সব কিছু এতে সম্ভব।
  • ইনস্টাগ্রাম: ছবি ও রিলস ভিত্তিক; তরুণদের মধ্যে দারুণ জনপ্রিয়।
  • হোয়াটসঅ্যাপ: চ্যাটিংয়ের জন্য সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত অ্যাপ।
  • টিকটক: শর্ট ভিডিওর জগতে এক বিপ্লব এনেছে।
  • লিঙ্কডইন: প্রফেশনাল পরিচিতি ও চাকরির নেটওয়ার্কিংয়ের শ্রেষ্ঠ মাধ্যম।
  • স্ন্যাপচ্যাট: ক্ষণস্থায়ী ছবি ও ভিডিও আদান-প্রদানের জনপ্রিয় অ্যাপ।
  • এক্স (সাবেক টুইটার): মতপ্রকাশ ও সংবাদের ঝড় তুলেছে এই প্ল্যাটফর্ম।

পজেটিভ দিক: যা শেখায়, যা জোগায়
১. যে কোনো সময়, যে কোনো প্রান্তে মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ সম্ভব হয় এক ক্লিকে।
২. নিজের চিন্তা, শিল্প, গল্প, গান প্রকাশের মুক্ত মঞ্চ।
৩. অনলাইনে ব্যবসা চালানো ও পণ্যের প্রচারে দারুণ কার্যকর।
৪. ইউটিউব-ফেসবুক মনিটাইজেশন মাধ্যমে বাড়িতে বসেই আয়।
৫. ভাষা, প্রযুক্তি, রান্না, গ্রাফিক্স থেকে মেডিটেশন—যে কোনো বিষয়ে শেখা যায় সহজে।
৬. সামাজিক আন্দোলন, জরুরি সহায়তা, সচেতনতা গড়ে তোলার এক উত্তম মাধ্যম।

নেগেটিভ দিক: বিপদ যাদের ছায়ার মতো
১. বিভ্রান্তিমূলক বা মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে পড়া।
২. মানহানিকর বা বিদ্বেষমূলক পোস্টের মাধ্যমে সামাজিক অস্থিরতা।
৩. অতিরিক্ত ব্যবহারে মানসিক চাপ, অনিদ্রা ও আসক্তি।
৪. সাইবার বুলিং, চুরি ও হ্যাকিংয়ের ভয়াবহতা।
৫. অপ্রয়োজনীয় আত্মপ্রচার ও জনপ্রিয়তা-পিপাসু কনটেন্টের ছড়াছড়ি।

সচেতনতা বৃদ্ধির টিপস:

যাচাই ছাড়া কিছু শেয়ার করবেন না। (স্ট্যাটাস, লিংক, ভিডিও শেয়ার করার আগে খুঁজে দেখুন তথ্যটা কোথা থেকে এসেছে) ভেরিফায়েড আইডি থেকে আসা তথ্যকেই গুরুত্ব দিন।

ধর্ম, রাজনীতি ও ব্যক্তিগত গোপন বিষয় নিয়ে সংবেদনশীল থাকুন।

ইনবক্সে অচেনা ম্যাসেজ, ধর্মীয় হুমকি বা চেইন ম্যাসেজ ফরোয়ার্ড করা থেকে বিরত থাকুন।

যখন যা খুশি ট্যাগ করবেন না। এটি বিরক্তির কারণ হতে পারে। অন্যকে ট্যাগ করার আগে ভাবুন তিনি আদৌ আগ্রহী কি না।

পোস্টে বিতর্কিত বা বিদ্বেষমূলক শব্দ পরিহার করুন। এটি ফেসবুকের নিয়ম ভাঙে।

প্রোফাইল ও প্রাইভেসি সেটিং ঠিকমতো সাজিয়ে নিন। (আপনার প্রোফাইলে সত্য তথ্য দিন—ছবি, নাম, পরিচয় যেন বাস্তবসম্মত হয়।)

টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন চালু করুন। হ্যাকিং ঠেকাতে এটি সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

রোজগারের সুযোগ:
ফেসবুক অ্যাডব্রেকস: ৩ মিনিটের বা তার অধিক ভিডিও তৈরি করে আয় করা সম্ভব, তবে আপনাকে নির্দিষ্ট ভিউ এবং ফলোয়ার সংখ্যা পূরণ করতে হবে।

ইউটিউব মনিটাইজেশন: ১০০০ সাবস্ক্রাইবার এবং ৪০০০ ঘন্টা ওয়াচ টাইম পূর্ণ হলে আপনি ইনকাম শুরু করতে পারেন। ভিডিও হতে হবে নিজস্ব এবং কপিরাইট মুক্ত।

ইনস্টাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সিং, টিকটক স্পন্সরশিপ, লিঙ্কডইন প্রফেশনাল অফারস—সবই এখন ঘরে বসে আয়ের মাধ্যম।

কানাডার কলেজগুলো এখন ‘সোশ্যাল মিডিয়া’কে প্রফেশনাল শিক্ষার স্তরে নিয়ে এসেছে। সেনেকা কলেজ, হাম্বার কলেজ, জর্জ ব্রাউন ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানে এর ওপর রয়েছে সার্টিফিকেট ও ডিপ্লোমা প্রোগ্রাম।

সোশ্যাল মিডিয়া আমাদের হাতে তুলে দিয়েছে এক অনন্ত সম্ভাবনার দিগন্ত। তথ্যের মুক্ত স্রোত, মত প্রকাশের স্বাধীনতা, বন্ধনের উষ্ণতা—সবই এখন হাতের মুঠোয়। কিন্তু এই স্বাধীনতার সাথেই জড়িয়ে আছে দায়িত্ব, জবাবদিহি আর আত্মানুসন্ধানের প্রশ্ন। আপনি কী শেয়ার করছেন, কী বলছেন, কার অনুভূতিতে আঘাত লাগছে—এ ভাবনাগুলো আপনাকে প্রতিনিয়ত সচেতন করে তুলতে হবে।

ভুল তথ্য, উগ্র মনোভাব, অসামাজিক ভাষা—এসব কেবল আপনাকে নয়, গোটা সমাজকেই ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়। অন্যদিকে, আপনার একটা ইতিবাচক স্ট্যাটাস, একজনকে সাহায্য করার আহ্বান কিংবা একটি শিক্ষামূলক ভিডিও—সেটি হতে পারে হাজার মানুষের আলোর পথ।

এখন সময় এসেছে—তথ্য প্রযুক্তিকে খেয়ালখুশির হাতিয়ার না বানিয়ে একে মানবকল্যাণের, জ্ঞানচর্চার, সৌহার্দ্য ও সৌন্দর্য বিকাশের প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে তোলার।

সাইবার ক্রাইম, সাইবার বুলিং ও আইনের ভয়াল ছায়া:
সোশ্যাল মিডিয়ার অপব্যবহার শুধু ব্যক্তিগত নয়, এখন তা হয়ে উঠেছে আন্তর্জাতিক অপরাধের ক্ষেত্র। প্রতিনিয়ত বাড়ছে সাইবার ক্রাইম—যার মধ্যে রয়েছে হ্যাকিং, পরিচয় চুরি (আইডেন্টিটি থেফট), প্রতারণা, চাঁদাবাজি, পর্নোগ্রাফি ছড়ানো, ভুয়া প্রোফাইল তৈরি, মানহানিকর কনটেন্ট ছড়ানো, এমনকি রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডও। এসব অপরাধে যুক্ত হচ্ছে অনেক নাবালক কিশোরও—অজ্ঞতা, কৌতূহল কিংবা শত্রুতাবশত।

সাইবার বুলিং হচ্ছে এরই একটি মারাত্মক শাখা, যেখানে কাউকে অনলাইনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অপমান, হেনস্তা, ভয় দেখানো কিংবা সামাজিকভাবে বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা করা হয়। এর শিকার হয়ে অনেক কিশোর-কিশোরী, এমনকি প্রাপ্তবয়স্করাও মানসিক অবসাদে ভোগে, আত্মহত্যার পথেও পা বাড়ায়।

এজন্য বিভিন্ন দেশ কঠোর সাইবার আইন প্রণয়ন করেছে।

কানাডাতে “Cyberbullying and Harassment” অপরাধ হিসেবে গণ্য; ২০১৪ সালের Protecting Canadians from Online Crime Act অনুযায়ী, কাউকে অপমানজনক বার্তা বা ছবি পাঠালে, শেয়ার করলে ফৌজদারি মামলা হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রে, FBI-এর অধীনে Cybercrime Division রয়েছে; পরিচয় চুরি, হ্যাকিং বা ফিশিং এর সাজা ১-২০ বছর পর্যন্ত হতে পারে, জরিমানা আলাদা।

বাংলাদেশে রয়েছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন (আইসিটি অ্যাক্ট) এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮, যেখানে ব্যক্তির মানহানি, ধর্মীয় উসকানি বা রাষ্ট্রবিরোধী বক্তব্যের জন্য সাজা ৩-১৪ বছর পর্যন্ত হতে পারে।

ভারতে IT Act 2000 অনুযায়ী, সাইবার অপরাধের জন্য রয়েছে জরিমানা ও জেল—বিশেষ করে হ্যাকিং, স্প্যামিং বা মিসইউজ অব ডেটার ক্ষেত্রে।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং অস্ট্রেলিয়াতে রয়েছে কঠোর গোপনীয়তা আইন (GDPR), যেখানে কারো সম্মতি ছাড়া ছবি বা তথ্য ব্যবহার করলে শাস্তির বিধান রয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহারকারীদের মনে রাখা দরকার—আপনি যা পোস্ট করছেন, তা শুধুই “মতামত” নয়; আইন অনুযায়ী সাক্ষ্য হিসেবেও ব্যবহার হতে পারে। অনলাইনে অপরাধ করলেই, তা অদৃশ্য থাকবে—এই ধারণা ভুল। আপনার ডিজিটাল ছাপ রয়ে যায় সবখানেই।

তাই সচেতন হোন, প্রযুক্তিকে ব্যবহার করুন কল্যাণে—না হলে এর শাস্তি আপনার পর্দার ওপাশে অপেক্ষা করছে।

আপনি প্রযুক্তি ব্যবহার করবেন, না প্রযুক্তি আপনাকে ব্যবহার করবে—সেই বোধশক্তিই আজকের দিনটিকে অর্থবহ করে তুলতে পারে। মনে রাখুন, প্রতিটি ক্লিক একটি দায়বদ্ধতা, প্রতিটি পোস্ট একটি বার্তা, আর প্রতিটি অনলাইন পদক্ষেপ আপনার অফলাইন সত্তার প্রতিচ্ছবি।

দেখে নিন, কি ধরনের ষ্ট্যাটাসে বন্ধুরা বিরক্ত হতে পারেন!
ক) পলিটিক্যাল পোষ্ট, যা একঘেয়েমিপূর্ণ।
খ) ব্যক্তিগত পোষ্ট যেটা ‘আমি আমি’ আর আমিত্বে ভরা। কি রাঁধলেন, কি
খেলেন, মন খারাপ এসব অনর্থক বিষয়।
গ) ধর্মীয় উগ্রতা তথা সাম্প্রদায়িকতা; বিদ্বেষমূলক পোষ্ট।
ঘ) অসামাজিক পোষ্ট।
ঙ) কারো মর্যাদাহানি করার লক্ষ্যে পোষ্ট।
চ) ঘন্টায় ঘন্টায় যা তা বিষয়ে পোষ্ট।
ছ) নিজেকে সবজান্তা মনে করে পোষ্ট।
জ) শুধু শুধু একটা বিতর্ক তৈরি করার লক্ষ্যে পোষ্ট।
ঝ) অযথা ট্যাগ করা।
ঞ) ইনবক্সে শুভেচ্ছা বা অভিনন্দন জানানো।

পরামর্শ:
১) আত্মপ্রচার থেকে বিরত থাকুন, সবাই আপনাকে সম্মান করবে।
২) তথ্যমূলক পোষ্ট দিন, সবাই আপনাকে পছন্দ করবেন।
৩) অন্যের প্রতি শ্রদ্ধা রাখুন, সবাই আপনাকে ভালবাসবে।
৪) বন্ধুদের ষ্ট্যাটাসে কোন ভুল কিছু দেখলে ইনবক্সে সতর্ক করুন, কমেন্ট বক্সে নয়।

প্রযুক্তি আজ হাতের মুঠোয়—কিন্তু তা যেন মনুষ্যত্বের কণ্ঠরোধ না করে, বরং বিবেক ও বুদ্ধির আলোকে সমাজকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করে।

নজরুল মিন্টো
লেখক, সাংবাদিক
সার্টিফাইড ইন্টারেক্টিভ ডিজিটাল মিডিয়া (আইডিএম) বিশেষজ্ঞ


Back to top button
🌐 Read in Your Language