মাদারীপুর

স্পিডবোট ডুবির ঘটনায় নিহত বেশিরভাগেরই মাথায় আঘাত ছিল

মাদারীপুর, ০৩ মে– মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুটের কাঁঠালবাড়ী ঘাট সংলগ্ন এলাকায় স্পিডবোট ডুবির ঘটনায় নিহতদের বেশিরভাগের মাথায় আঘাত রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় উদ্ধারকারী ও ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা। তাদের ধারণা মাথায় আঘাতের কারণেই মৃতের সংখ্যা বেড়েছে।

স্থানীয়সহ একাধিক সূত্রে জানা গেছে, সোমবার ভোরে শিমুলিয়া থেকে কমপক্ষে ৩১ যাত্রী নিয়ে শিবচরের বাংলাবাজার ঘাটের উদ্দেশে রওনা দেয় স্পিডবোটটি। বাংলাবাজার ঘাটের আধা কিলোমিটার আগে পুরাতন (কাঁঠালবাড়ী) ফেরিঘাটের কাছে এসে নোঙর করে রাখা একটি বাল্কহেডের সঙ্গে ধাক্কা লেগে তলিয়ে যায় স্পিডবোটটি। দ্রুতগতির স্পিডবোটটি ধাক্কা লাগার কারণে বেশিরভাগ যাত্রীই মাথায় আঘাত পান। ফলে ঘটনাস্থলেই বেশীরভাগ যাত্রীর মৃত্যু হয়। শিশুসহ পাঁচজন স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

স্থানীয় জাহাঙ্গীর নামে এক ডুবুরি বলেন, স্পিডবোটটি দ্রুতগতিতে এসে বাল্কহেডের সঙ্গে ধাক্কা খায়, ফলে যাত্রীরা মাথায় আঘাত পেয়ে মারা গেছে।

আব্দুল করিম নামের স্থানীয় এক যুবক বলেন, নদীর পাড়ে নোঙর করে রাখা বালুবাহী বাল্কহেডের সঙ্গে স্পিডবোটটির ধাক্কা লাগার কথা নয়। সম্ভবত চালকের চোখে ঘুম ছিল। এ কারণেই এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।

নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক বাল্কহেডের এক কর্মচারী জানান, ভোর ৬টার আগে হঠাৎ করেই বিকট শব্দে স্পিডবোটটি এসে ধাক্কা খায় বাল্কহেডের সঙ্গে। অথচ স্পিডবোটটি নদীর মাঝ বরাবর যাওয়ার কথা ছিল।

ফায়ার সার্ভিসের (বৃহত্তর মাদারীপুর) সহকারী উপপরিচালক

মো. নজরুল বলেন, উদ্ধারের সময় বেশিরভাগ যাত্রীর মাথায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

একই তথ্য দেন ইউএনও মো. আসাদুজ্জামান।

শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিরাজ হোসেন বলেন, নিহতদের অনেকেই মাথায় আঘাত ছিল।

সূত্র : দেশ রূপান্তর
এম এন / ০৩ মে

Back to top button