
বগুড়া, ২৫ মার্চ – বগুড়া জিলা স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের আয়োজনে কাপড়ের তৈরি দেশের ‘সর্ববৃহৎ’ জাতীয় পতাকার প্রদর্শন হবে আগামীকাল শুক্রবার স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর উৎসবে। বগুড়া জিলা স্কুল মাঠে বগুড়ার জেলা প্রশাসক জিয়াউল হক এ পতাকা প্রদর্শন উৎসবের উদ্বোধন করবেন। এতে অংশ নেবেন জিলা স্কুলের তিন শতাধিক শিক্ষার্থী।
প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সংগঠন বগুড়া জিলা স্কুল অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন কাপড়ের তৈরি এই জাতীয় পতাকা বানানো ও প্রদর্শনের উদ্যোগ নেয়। আয়োজকরা দাবি করছেন, এটি হবে বাংলাদেশের তৈরি সর্ববৃহৎ জাতীয় পতাকা। পতাকাটি দৈর্ঘ্যে ১৫০ ফুট ও প্রস্থে ৯০ ফিট। এর মোট আয়তন হচ্ছে সাড়ে ১৩ হাজার বর্গফুট।
তারা জানান, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে নতুন কিছু করার পরিকল্পনা ছিল। আমাদের চেতনায় বা দেশপ্রেমের অন্যতম অংশ মানচিত্র ও জাতীয় পতাকা। এ জন্য সংগঠনের সদস্যরা ঠিক করেন জাতীয় পতাকা নিয়ে এমন কিছু করার যা দেশকে বিশ্বের কাছে আরও একবার পরিচিত করাবে। আমাদের জাতীয়তাবাদকে আরও ছড়াবে। সেই লক্ষ্যে থেকে কাপড় দিয়ে জাতীয় পতাকা তৈরি করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন : সিরাজগঞ্জে নারী ও শিশুসহ ৫ রোহিঙ্গা আটক
জিলা স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা জানান, ৬ মার্চ থেকে ১৫ জন প্রাক্তন শিক্ষার্থীর তত্ত্বাবধানে জিলা স্কুল মাঠে বিশাল এই পতাকা তৈরির কাজ চলছে। দর্জি রানা মিয়ার নেতৃত্বে ছয়জন দর্জি পতাকা বানানোর কাজ করছেন। পতাকা তৈরিতে ৯০ ফুট দৈর্ঘ্য ও সোয়া তিন ফুট প্রস্থবিশিষ্ট ৪৭ থান সবুজ রঙের কাপড় এবং ১৭ থান লাল রঙের কাপড় ব্যবহৃত হচ্ছে।
আয়োজকরা জানান, ২৬ মার্চ সকালে জাতীয় পতাকাটি প্রদর্শন করা হবে। একই সঙ্গে উদ্বোধন করা হবে মুক্তিযুদ্ধ কর্নার। এতে স্কুলের যেসব শিক্ষার্থীরা মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন তাদের ছবি ও ইতিহাস থাকবে। এই পতাকা তৈরিতে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে রেঞ্জু, সুজন, পায়েল, বাবু, ইসমাইল হোসেন সনি, নাঈম, রুপম, আসিফ প্রধান ভূমিকা পালন করেছেন বলে জানা গেছে।
জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষার্থী নাহিয়ান বিন মাহবুব ও একেএম সোহেবুর রহমান জানান, আমাদের জানামতে এখন পর্যন্ত এটি সর্ববৃহৎ জাতীয় পতাকা। পতাকা প্রদর্শনের পর আমরা ডকুমেন্টসহ কাগজপত্র মন্ত্রণালয়ে পাঠাব। তারপর স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য পরবর্তী পদক্ষেপ নেব।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বগুড়া জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক শ্যামপদ মুস্তাফী জানান, প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা বড় আকারে জাতীয় পতাকা তৈরি করছে। পতাকার মাপ নিয়ে আমার সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। এটি নিঃসন্দেহে ভালো উদ্যোগ।
সূত্র : আমাদের সময়
এন এইচ, ২৫ মার্চ









