ইংল্যান্ডের কাছে সিরিজ হার: ফিটনেস নিয়ে ভারতীয় অধিনায়ক গিলের সতর্কবার্তা

নয়া দিল্লি, ২০ জুলাই – ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে পরাজয়কে ভারতের জন্য বড় সতর্কবার্তা হিসেবে দেখছেন অধিনায়ক শুবমান গিল। তার মতে ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপে শিরোপা জয়ের লড়াইয়ে টিকে থাকতে হলে খেলোয়াড়দের ফিটনেস সমস্যার দ্রুত সমাধান প্রয়োজন।
ঘন ঘন চোটের কারণে লর্ডসে সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচেও ভারত তাদের সেরা একাদশ নামাতে পারেনি। ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে গিল জানান খেলোয়াড়দের ফিটনেস উন্নয়নে বিসিসিআইয়ের মেডিকেল টিমকে আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।
মূল স্কোয়াডের অন্তত পাঁচজন খেলোয়াড় ইনজুরির কারণে লর্ডসের ম্যাচে অনুপস্থিত ছিলেন। জাসপ্রিত বুমরাহ কার্ডিফে আঘাত পাওয়ার পর ফিটনেস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেননি। এছাড়া হ্যামস্ট্রিং চোটের কারণে ছিটকে যান ওয়াশিংটন সুন্দর।
টি টোয়েন্টি সিরিজে চোট পেয়েছিলেন হর্ষিত রানা এবং সফরের আগেই ছিটকে গিয়েছিলেন নীতিশ কুমার রেড্ডি। এই পরিস্থিতিতে দল গঠনে বারবার পরিবর্তন আনতে হচ্ছে যা দলের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। গিল বলেন বিশ্বকাপে টানা ১১টি ম্যাচ খেলতে হবে কিন্তু আমরা দুই তিন ম্যাচের একটি সিরিজও একই দল নিয়ে শেষ করতে পারছি না।
খেলোয়াড়রা ছোটখাটো চোটে পড়ায় শুরুর পরিকল্পনা অনুযায়ী কম্বিনেশন সাজানো সম্ভব হচ্ছে না। ম্যাচের দিন সকালে এসে খেলোয়াড়দের ফিটনেস নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়তে হওয়ায় সিদ্ধান্ত নেওয়াও কঠিন হয়ে যায় বলে তিনি মন্তব্য করেন।
লর্ডসে ভারতের পরাজয়ের কারণ হিসেবে গিল অনভিজ্ঞ বোলিং আক্রমণ এবং শেষ ওভারগুলোর ব্যর্থতাকে দায়ী করেছেন। ম্যাচের শেষ তিন ওভারে ৬৩ রান দেওয়াকে তিনি টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন বোলিং আক্রমণে অনভিজ্ঞতা থাকায় পাওয়ারপ্লে এবং ডেথ ওভারে আমরা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারিনি। তবে এই সিরিজ থেকে শিক্ষা নিয়ে ২০২৭ বিশ্বকাপের আগে খেলোয়াড়দের সুস্থ রাখাকেই বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন ভারত অধিনায়ক।
এস এম/ ২০ জুলাই ২০২৬









