২০২৬ বিশ্বকাপে পানির বোতল নিয়ে প্রবেশের অনুমতি দিল ফিফা

ওয়াশিংটন, ৬ জুন – উচ্চমূল্যের টিকিট, যাতায়াত এবং আবাসন নিয়ে ফুটবল ভক্তদের মধ্যে আগে থেকেই ক্ষোভ ছিল। এবার স্টেডিয়ামে খাওয়ার পানি নিয়ে ফিফার ব্যবসায়িক মনোভাবের বিরুদ্ধেও অভিযোগ উঠেছে। শুরুতে ভেন্যুতে দর্শকদের পানির বোতল বহন নিষিদ্ধ করা হলেও তীব্র সমালোচনার মুখে সেই সিদ্ধান্ত থেকে আংশিক সরে এসেছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
ফিফা জানিয়েছে,
২০২৬ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপের ম্যাচগুলোতে দর্শকরা একটি নরম প্লাস্টিকের বোতল সঙ্গে নিতে পারবেন। তবে এই বোতলটির ধারণক্ষমতা হতে হবে সর্বোচ্চ ২০ আউন্স বা ৫৯০ মিলিলিটার এবং এটি কারখানায় সিল করা ও একবার ব্যবহারযোগ্য হতে হবে।
নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে এর আগে ফিফা ১৬টি ভেন্যুতেই পানির বোতল নিষিদ্ধ করেছিল। তাদের যুক্তি ছিল, খেলোয়াড়দের দিকে বোতল ছুড়ে মারার মাধ্যমে অনাকাঙ্ক্ষিত ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
পুনরায় বিষয়টি স্পষ্ট করে ফিফা জানিয়েছে,
নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শক্ত আবরণযুক্ত এবং বারবার ব্যবহারযোগ্য কোনো পানির বোতল স্টেডিয়ামে আনার অনুমতি দেওয়া হবে না। উত্তর আমেরিকার ১৬টি স্টেডিয়ামে এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পেছনে সমর্থক গোষ্ঠী এবং শীর্ষ রাজনৈতিক নেতাদের বড় ভূমিকা রয়েছে।
কারণ মেক্সিকো, কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রে যখন বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে, তখন সেখানে তাপমাত্রা ৯০ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা তার বেশি থাকার পূর্বাভাস রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে দর্শকদের পানিশূন্যতা থেকে রক্ষায় এই পরিবর্তন জরুরি ছিল। এর আগে ইংল্যান্ডের সমর্থক গোষ্ঠী ফ্রি লায়ন্স এই নিষেধাজ্ঞাকে অর্থ উপার্জনের একটি কৌশল হিসেবে অভিহিত করেছিল।
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারও ফিফার পূর্বের সিদ্ধান্তকে ভুল হিসেবে উল্লেখ করেন। এছাড়া টরন্টো ও নিউইয়র্ক সিটির মেয়রেরা ফিফার বাণিজ্যিক মনোভাবের তীব্র নিন্দা জানিয়েছিলেন। ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত অনুষ্ঠেয় এই বিশ্বকাপে ১০৪টি ম্যাচ মাঠে গড়াবে।
এস এম/ ৬ জুন ২০২৬









