শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক ছিলেন সাহসী ও বিচক্ষণ রাজনীতিবিদ: রাষ্ট্রপতি

ঢাকা, ২৭ এপ্রিল – উপমহাদেশের বরেণ্য রাজনীতিবিদ এবং বাংলার বাঘ হিসেবে খ্যাত শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের ৬৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
রাষ্ট্রপতি তার এক বাণীতে ফজলুল হককে এক অসাধারণ প্রজ্ঞাবান, অসম সাহসী ও বিচক্ষণ রাজনীতিবিদ হিসেবে অভিহিত করেন।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক তার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে বঙ্গীয় আইন পরিষদের সদস্য, সর্বভারতীয় মুসলিম লীগের সভাপতি, কলকাতার মেয়র এবং অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রীসহ বহু গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
এছাড়া তিনি পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ও গভর্নরের দায়িত্বও সফলভাবে পালন করেছেন। দক্ষ রাজনীতিবিদ ও সমাজসেবক হিসেবে প্রায় অর্ধ শতাব্দীর বেশি সময় ধরে তিনি গণমানুষের কল্যাণে কাজ করে গেছেন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয় যে অবিভক্ত বাংলার রাজনৈতিক অঙ্গনের পুরোধা ব্যক্তিত্ব ফজলুল হক ছিলেন কৃষক ও মেহনতি মানুষের প্রকৃত নেতা। তিনি ১৯৩৬ সালে কৃষক প্রজা পার্টি এবং ১৯৫৩ সালে শ্রমিক কৃষক দল প্রতিষ্ঠা করেন।
অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন তিনি এ অঞ্চলের শিক্ষা, রাজনীতি ও সমাজ সংস্কারে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখেন। বিশেষ করে তার উদ্যোগে গঠিত ঋণ সালিশি বোর্ড নির্যাতিত কৃষক সমাজকে ঋণের বোঝা থেকে মুক্তি দিতে কার্যকর ভূমিকা পালন করেছিল।
রাষ্ট্রপতি আরও উল্লেখ করেন যে ১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ মুসলিম লীগের সম্মেলনে লাহোর প্রস্তাব উত্থাপনের মাধ্যমে তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্ন ও পথনির্দেশনা প্রদান করেছিলেন। কৃষক ও শ্রমিকদের ভাগ্য উন্নয়নে তার অবদান জাতি চিরকাল শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।
বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের রাজনীতিবিদদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন যে শেরে বাংলার আদর্শ অনুসরণ করে একটি সুখী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে ইতিবাচক অবদান রাখা প্রয়োজন।
এনএন/ ২৭ এপ্রিল ২০২৬









