জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে দেশে আসছে ৫১ হাজার টন অকটেন ও ফার্নেস অয়েল

চট্টগ্রাম, ৭ এপ্রিল – দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে এবং সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে মালয়েশিয়া থেকে আমদানি করা হচ্ছে ৫১ হাজার মেট্রিক টন অকটেন ও ফার্নেস অয়েল। এই জ্বালানি নিয়ে দুটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরের পথে রয়েছে। বুধবার জাহাজ দুটির চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। মঙ্গলবার বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের সহকারী ব্যবস্থাপক ফারজিন হাসান মৌমিতা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বিপিসি সূত্র জানিয়েছে মালয়েশিয়া থেকে প্রায় ২৬ হাজার টন পরিশোধিত অকটেন নিয়ে আসছে এমটি সেন্ট্রাল স্টার নামের একটি জাহাজ।
আইসল্যান্ডের পতাকাবাহী জাহাজটি গত ৩ এপ্রিল মালয়েশিয়া থেকে রওনা দেয় এবং বর্তমানে এটি আন্দামান সাগরে অবস্থান করছে। বিপিসি আরও জানায় একই দিনে মালয়েশিয়া থেকে ২৫ হাজার মেট্রিক টন ফার্নেস অয়েল নিয়ে এমটি ইস্টার্ন কুইন্স নামের অপর একটি জাহাজও দেশে আসছে। সেটিও বুধবার চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। অন্যদিকে এলপিজি ও এলএনজি বহনকারী আরও দুটি জাহাজ ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। নাইজেরিয়া থেকে আসা কুল ভয়েজার জাহাজে রয়েছে এলএনজি এবং এর স্থানীয় এজেন্ট ইন্টারপোর্ট।
এছাড়া চীন থেকে এলপিজি নিয়ে এসেছে গ্যাস জার্নি নামের জাহাজটি এবং এর স্থানীয় এজেন্ট ইউনাইটেড শিপিং। খালাস কার্যক্রম শেষে জাহাজ দুটি বুধবার বন্দর ত্যাগ করবে। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানিয়েছেন বর্তমানে বন্দরের জলসীমায় এলপিজি ও এলএনজি বহনকারী দুটি জাহাজ অবস্থান করছে। এছাড়া মোট চারটি জাহাজ থেকে জ্বালানি খালাস কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এর মধ্যে গত ৩১ মার্চ ভারত থেকে এলপিজি নিয়ে গ্যাস চ্যালেঞ্জার এবং ৩ এপ্রিল মালয়েশিয়া থেকে ডিজেল নিয়ে শ্যান গ্যাং ফা শিয়ান নামের আরও দুটি জাহাজ বন্দরে আসে।
গ্যাস চ্যালেঞ্জার থেকে ভাটিয়ারিতে এলপিজি খালাস করা হচ্ছে। বিপিসির সহকারী ব্যবস্থাপক ফারজিন হাসান মৌমিতা জানান মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও দেশের জ্বালানি তেলের আমদানি ও সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে বিপিসি সর্বোচ্চ সচেষ্ট রয়েছে। এরই অংশ হিসেবে নিয়মিতভাবে বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি দেশে আসছে।
এস এম/ ৭ এপ্রিল ২০২৬









