জাতীয়

ড. ইউনূসকে কেবল এনজিও ও সুদের ব্যবসায়ী হিসেবে মূল্যায়ন করা যায়

ঢাকা, ২৬ মার্চ – কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫৫তম বছরে এসে মুক্তিযুদ্ধের যে অবমূল্যায়ন হয়েছে, তা বিশ্বের অন্য কোথাও দেখা যায় না। একসময় তিনি অধ্যাপক ইউনূসকে একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে অত্যন্ত সম্মান করতেন। তবে অন্তর্বর্তী সরকারের কার্যকলাপে তাকে কেবল এনজিও এবং সুদের ব্যবসায়ী ছাড়া অন্য কোনোভাবে মূল্যায়ন করার সুযোগ নেই বলে তিনি মন্তব্য করেন।

তার মতে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ড. ইউনূসকে অনেক আগেই চিনতে পেরেছিলেন। তিনি অভিযোগ করেন, অধ্যাপক ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকারের কোনো সদস্যই প্রকৃত দেশপ্রেমিক নন এবং তাদের সাথে দেশের কোনো আত্মিক সম্পর্ক নেই। এই সরকারের কারোই মুক্তিযুদ্ধের প্রতি কোনো শ্রদ্ধা ছিল না বরং তারা মুক্তিযোদ্ধাদের অবমূল্যায়ন এবং ছোট করার চেষ্টা করেছেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের এই অবমূল্যায়নের খেসারত জাতিকে অবশ্যই দিতে হবে। কারণ মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা না থাকলে আজকের বাংলাদেশের এই উন্নতি এবং বিপুল সংখ্যক মানুষের বিদেশে উপার্জনের সুযোগ তৈরি হতো না।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূল ভিত্তি হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু হলেন এই দেশের হৃৎপিণ্ড। বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক বাসভবন ধ্বংসের ঘটনায় ড. ইউনূস চরমভাবে কলঙ্কিত হয়েছেন, যা কখনো মুছে ফেলা সম্ভব নয়। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের আমলেই এই ঘটনার বিচার শুরু হতে পারে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, বঙ্গবন্ধুকে অবমাননা করার অর্থ হলো দেশের সব মুক্তিযোদ্ধাকে অবমাননা করা। একসময় ড. ইউনূস একজন সম্মানিত ব্যক্তি হলেও এখন তিনি ইতিহাসের ঘৃণিত ব্যক্তি হিসেবেই বিবেচিত হবেন বলে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের এই নেতা মন্তব্য করেন।

এস এম/ ২৬ মার্চ ২০২৬


Back to top button
🌐 Read in Your Language