রমজানের আগে কেনা স্বর্ণের জাকাতের বিধান কী?

সম্পদশালী মুসলমানদের ওপর প্রতি বছর তাঁদের সমুদয় বর্ধনশীল সম্পত্তির জাকাত দেওয়া ফরজ। কোনো মুসলমান ব্যক্তি যেদিন নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হন, সেদিন থেকেই তাঁর জাকাতের বর্ষগণনা শুরু হয়। এক বছর ধরে নেসাব পরিমাণ সম্পত্তির মালিক থাকলে তিনি জাকাত দেওয়ার উপযুক্ত বলে বিবেচিত হন।
জাকাতের বর্ষ পূর্ণ হওয়ার দিনে ওই ব্যক্তির মালিকানায় যে পরিমাণ বর্ধনশীল সম্পদ থাকে, তার ওপর জাকাত হিসাব করতে হয়। এর মধ্যে নগদ অর্থ, ব্যবসায়ের সম্পদ, স্বর্ণ বা রৌপ্য অন্তর্ভুক্ত। এই সম্পদগুলো বছর শুরু হওয়ার আগে, মধ্যভাগে বা বছরের একেবারে শেষে অর্জিত হলেও তা জাকাতের আওতাভুক্ত হবে।
মোট সম্পদের ৪০ ভাগের ১ ভাগ বা ২ দশমিক ৫ শতাংশ জাকাত হিসেবে দান করা বাধ্যতামূলক। অনেকেই রমজান মাসে জাকাত আদায় করে থাকেন। কেউ যদি গত বছর ৯ ভরি স্বর্ণের জাকাত আদায় করে থাকেন এবং নতুন বছরের রমজানের ঠিক আগে আরও ২ ভরি স্বর্ণ কেনেন, তবে তাঁকে মোট ১১ ভরি স্বর্ণেরই জাকাত দিতে হবে।
কারণ জাকাত ফরজ হয় এক বছর ধরে নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক থাকলে। কিন্তু জাকাত দেওয়ার সময়, অর্থাৎ জাকাতবর্ষ পূর্ণ হয়ে গেলে, মালিকানায় থাকা সমুদয় সম্পদেরই জাকাত দিতে হয়।
এখানে শুধু এক বছর ধরে মালিক থাকা সম্পদের হিসাব করলেই হবে না, বরং বছরপূর্তির দিন থাকা মোট সম্পদের ওপরই জাকাত ধার্য হবে।
এনএন/ ৯ মার্চ ২০২৬









