ইরানে কঠোর হামলার হুমকি ট্রাম্পের, পাল্টা নতুন মার্কিন লক্ষ্যবস্তু খুঁজছে তেহরান

তেহরান, ৭ মার্চ – ইরান এবং ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান সংঘাত ক্রমশ ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। এক সপ্তাহ অতিবাহিত হলেও যুদ্ধবিরতির কোনো লক্ষণ নেই, বরং উভয় পক্ষই হামলার তীব্রতা বৃদ্ধি করেছে। নিজেদের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির হত্যার প্রতিশোধ এবং শাসন ব্যবস্থা রক্ষায় ইরান মরিয়া হয়ে লড়ছে।
সংঘাতের এই নতুন পর্যায়ে প্রথমবারের মতো হাইপারসনিক মিসাইল ব্যবহারের ঘোষণা দিয়েছে তেহরান। পাশাপাশি ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান স্পষ্ট জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কাছে ইরান কখনোই আত্মসমর্পণ করবে না।
অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর আরও কঠোর হামলার হুমকি দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক বার্তায় তিনি ঘোষণা করেন, শনিবার রাতেই ইরানের নতুন নতুন লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হবে। ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইরানের আচরণের কারণে এমন কিছু এলাকা ও জনগোষ্ঠীকে ধ্বংসের জন্য বিবেচনা করা হচ্ছে, যা এতদিন মার্কিন লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় ছিল না।
মার্কিন প্রেসিডেন্টের এমন হুমকির পর পাল্টা ব্যবস্থার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে ইরানের এক শীর্ষ কর্মকর্তা জানান, যুক্তরাষ্ট্র যেহেতু ইরানি জনগণের বিরুদ্ধে যুদ্ধের পরিধি বাড়িয়েছে, তাই ইরানও এখন নতুন মার্কিন স্থাপনা, বাহিনী ও সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোকে হামলার লক্ষ্যবস্তু হিসেবে চিহ্নিত করছে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানবিরোধী সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল, যার জেরে মধ্যপ্রাচ্য এখন উত্তপ্ত যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে।
এনএন/ ৭ মার্চ ২০২৬









