ইরানে যুদ্ধের জেরে বাড়ছে জ্বালানির দাম, চিন্তিত নন ট্রাম্প

ওয়াশিংটন, ৬ মার্চ – ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি বাজারে। গত ছয় দিনে দেশটিতে জ্বালানি গ্যাসের দাম প্রায় সাত শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং অদূর ভবিষ্যতে তা আরও বাড়ার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।
তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে জ্বালানি গ্যাসের দাম বৃদ্ধি নিয়ে তিনি মোটেও চিন্তিত নন। তার সমস্ত মনোযোগ এখন ইরান যুদ্ধের দিকে নিবদ্ধ।
বৃহস্পতিবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, গ্যাসের দাম বাড়লেও যুদ্ধ শেষ হলে তা দ্রুত কমে আসবে। তাই দাম বাড়ার বিষয়টি নিয়ে তিনি ভাবছেন না। তার মতে, গ্যাসের দাম বৃদ্ধির চেয়ে ইরানে চলমান যুদ্ধ অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
যুক্তরাষ্ট্রের লুইজিয়ানা ও টেক্সাস অঙ্গরাজ্যে বিশ্বের বৃহত্তম জরুরি ভূগর্ভস্থ তেলের মজুত থাকলেও, ট্রাম্প এখনই তা ব্যবহার করার প্রয়োজন মনে করছেন না। তিনি উল্লেখ করেন, হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল কমে যাওয়াই জ্বালানির বাজার অস্থিতিশীল হওয়ার প্রধান কারণ। তবে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, মার্কিন সেনারা অল্প সময়ের মধ্যে ইরানের নৌবাহিনীকে পরাস্ত করবে এবং জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক হলেই জ্বালানির বাজার স্থিতিশীল হবে।
উল্লেখ্য, ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে ২১ দিনের সংলাপ কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়। এর পরপরই ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র অপারেশন এপিক ফিউরি এবং ইসরায়েল অপারেশন রোয়ারিং লায়ন শুরু করে।
গত সাত দিন ধরে চলা এই সংঘাতের জবাবে ইরানও ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা অব্যাহত রেখেছে।
এনএন/ ৬ মার্চ ২০২৬









