নির্বাচনে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অভিযোগে রিজওয়ানা ও খলিলুরের বিচার বিভাগীয় তদন্ত চায় জামায়াত

ঢাকা, ৬ মার্চ – নির্বাচনে কারচুপির বা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ এনে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের বিরুদ্ধে বিচার বিভাগীয় তদন্তের জোর দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার মন্তব্য করেছেন যে বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের এই সাবেক উপদেষ্টা নির্বাচন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের একজন আত্মস্বীকৃত রাজসাক্ষী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। শুক্রবার রাজধানীতে আয়োজিত এক বিক্ষোভ মিছিল পরবর্তী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান এবং বর্তমান সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে গ্রেপ্তার ও জিজ্ঞাসাবাদের দাবিতে জামায়াতের ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখা এই কর্মসূচির আয়োজন করে। সমাবেশে মিয়া গোলাম পরওয়ার রিজওয়ানা হাসানের সাম্প্রতিক বক্তব্যের সূত্র ধরে বলেন যে তিনি নিজের অডিও এবং ভিডিও বক্তব্য বারবার পর্যালোচনা করলেই সত্য বুঝতে পারবেন।
তিনি বলেন যখন চারদিকে সমালোচনা ও তদন্তের দাবি উঠল তখন রিজওয়ানা হাসান ব্যাখ্যা দেওয়ার চেষ্টা করলেন যে তিনি কোনো রাজনৈতিক দলকে নির্দেশ করেননি বরং উগ্রবাদীদের মূলধারায় আসতে না দেয়ার কথা বলেছেন। কিন্তু তার নিজস্ব কথাতেই তিনি ধরা পড়ে যাচ্ছেন বলে মন্তব্য করেন জামায়াত নেতা।
মিয়া গোলাম পরওয়ার উল্লেখ করেন রিজওয়ানা হাসান বলেছিলেন তারা বিরোধী দলে থাকলেও তাদের মেইনস্ট্রিমে আসতে দেয়া হয়নি। এর অর্থ হলো সংসদ নির্বাচনে তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে জিততে দেয়া হয়নি যা পরিষ্কারভাবে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং। তিনি আরও বলেন রিজওয়ানা হাসানের এই বক্তব্য থেকেই জনগণের বিশ্বাস করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে যে তিনি সেই ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের একজন আত্মস্বীকৃত রাজসাক্ষী।
এছাড়া বর্তমান সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের বিরুদ্ধেও নির্বাচন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অভিযোগ তুলেছে জামায়াতে ইসলামী।
তার উদ্দেশে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন উপদেষ্টা থাকাকালে তিনি বর্তমান সরকারি দলের যথেষ্ট উপকার করেছেন এবং নির্বাচনে বিজয়ী করে সরকারে আনার ক্ষেত্রে তার সেবায় সন্তুষ্ট হয়েই তাকে পুরস্কার হিসেবে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পদ দেওয়া হয়েছে। জাতি মনে করে ইঞ্জিনিয়ারিং প্রক্রিয়ায় তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।
এম ম/ ৬ মার্চ ২০২৬









