জাতীয়

ইবি শিক্ষিকার মরদেহে ২০ আঘাতের চিহ্ন, স্বামী বাদী হয়ে করলেন মামলা

কুষ্টিয়া, ৬ মার্চ – ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) নিজ দপ্তরে কর্মচারীর হামলায় নিহত সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনার মরদেহে অন্তত ২০টি আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

ময়নাতদন্ত শেষে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. ইমাম হোসাইন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নিহতের গলার ডান পাশের নিচের দিকে ধারালো অস্ত্রের গভীর ক্ষতের কারণে রক্তনালী কেটে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া নিজেকে রক্ষার চেষ্টা করতে গিয়ে তিনি বুক, পিঠ, পেট ও হাতে আঘাত পেয়েছেন।

গত বুধবার বিকেলে নিজ দপ্তরে হামলার শিকার হন ওই শিক্ষিকা এবং হাসপাতাালে নেওয়ার পর তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

এই ঘটনায় নিহতের স্বামী মুহা. ইমতিয়াজ সুলতান বাদী হয়ে চারজনের নাম উল্লেখ করে ইবি থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় হামলাকারী কর্মচারী ফজলুর রহমানকে প্রধান আসামি এবং প্ররোচনার অভিযোগে সমাজকল্যাণ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শ্যাম সুন্দর সরকার, হাবিবুর রহমান ও সহকারী রেজিস্ট্রার বিশ্বজিৎ কুমার বিশ্বাসকে আসামি করা হয়েছে।

এজাহারে অভিযোগ করা হয়, বিভাগীয় তহবিলের স্বচ্ছতা ও বদলি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে আসামিদের পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে।

এদিকে চিকিৎসাধীন হামলাকারী ফজলুর রহমান পুলিশের কাছে লিখিত বক্তব্যে জানিয়েছেন, দীর্ঘদিনের কর্মস্থল থেকে বদলি ও বেতন বন্ধ হওয়ায় ক্ষোভ ও হতাশা থেকে তিনি এই হামলার পরিকল্পনা করেন।

পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফয়সাল মাহমুদ।

এনএন/ ৬ মার্চ ২০২৬


Back to top button
🌐 Read in Your Language