চলমান ঋণ নবায়নে বড় ছাড় দিল বাংলাদেশ ব্যাংক, ২০২৭ পর্যন্ত সুযোগ

ঢাকা, ৪ মার্চ – চলমান ঋণ নবায়নের ক্ষেত্রে বিধিমালা শিথিল করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। পূর্বে ঋণ সীমার অতিরিক্ত অর্থ সমন্বয় না করে নবায়ন করার সুযোগ ছিল না, যা আট মাস আগের নির্দেশনায় বলবৎ ছিল। তবে নতুন সিদ্ধান্তের ফলে ঋণটি ‘মন্দমান’ বা খেলাপি হিসেবে চিহ্নিত হওয়ার আগ পর্যন্ত নবায়নের সুযোগ রাখা হয়েছে।
এই বিশেষ সুবিধা ২০২৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বহাল থাকবে। মঙ্গলবার এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে দেশের সকল তফসিলি ব্যাংকের কাছে পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
গত ২৬ ফেব্রুয়ারি গভর্নর হিসেবে মো. মোস্তাকুর রহমান দায়িত্ব গ্রহণের পর ব্যবসায়ীদের জন্য এটি দ্বিতীয় বড় নীতিগত সহায়তা। এর আগে রপ্তানিমুখী শিল্পের বেতন-ভাতা পরিশোধে বিশেষ ঋণ সুবিধা দেওয়া হয়েছিল।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, অনেক সময় নিয়ন্ত্রণবহির্ভূত কারণে নির্ধারিত সময়ে চলমান ঋণ নবায়ন সম্ভব হয় না। তাই দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট ও ব্যবসা-বাণিজ্য সচল রাখার স্বার্থে এই ছাড় দেওয়া হয়েছে।
নির্দেশনা অনুযায়ী, ঋণের মেয়াদ ফুরিয়ে যাওয়ার অন্তত দুই মাস আগে নবায়ন প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। যদি নির্ধারিত সময়ে প্রক্রিয়া শেষ না হয়, তবে ঋণটি বিরূপমানে শ্রেণিকৃত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত নবায়ন করা যাবে। তবে কেন সময়মতো নবায়ন করা গেল না, তার লিখিত ব্যাখ্যা সংরক্ষণ করতে হবে।
এছাড়া ঋণের সীমাতিরিক্ত অংশ ধাপে ধাপে সমন্বয় করতে হবে এবং এই অংশকে কখনোই নতুন ঋণে রূপান্তর বা অন্য কোনো হিসাবে স্থানান্তর করা যাবে না। পূর্বের ২৫ জুনের কঠোর নির্দেশনাটি এর মাধ্যমে বাতিল করা হলো।
এনএন/ ৪ মার্চ ২০২৬









