রোহিঙ্গা ও স্থানীয়দের জীবনমান উন্নয়নে জাপানের ২৬ লাখ ডলার অনুদান

কক্সবাজার, ৩ মার্চ – কক্সবাজার ও ভাসানচরে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থী এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে জাপান সরকার ২৬ লাখ মার্কিন ডলার আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা আইওএম এর মাধ্যমে এই অর্থ ব্যয় করা হবে। মঙ্গলবার ৩ মার্চ বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি এবং আইওএম বাংলাদেশের চিফ অব মিশন জিউসেপ্পে লোপ্রেতে এই সংক্রান্ত একটি চুক্তিতে সই করেছেন।
এই প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৫ লাখ ৬৫ হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থী ও স্থানীয় মানুষ উপকৃত হবেন। জাপানের এই অনুদানের টাকায় তাদের জন্য আশ্রয়স্থল নির্মাণ, প্রয়োজনীয় অখাদ্য সামগ্রী ও এলপিজি বিতরণ এবং স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হবে। এছাড়া সাইট ম্যানেজমেন্ট ও সাইট ডেভেলপমেন্টের পাশাপাশি কক্সবাজারের দুর্যোগপ্রবণ এলাকায় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হবে।
জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি আশা প্রকাশ করে জানান যে জাপান সরকার রোহিঙ্গা শরণার্থী ও বাংলাদেশে বসবাসরত জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়াতে দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আইওএম এর সঙ্গে তাদের এই অংশীদারিত্ব মানবিক মর্যাদা সমুন্নত রাখতে এবং দীর্ঘস্থায়ী সংকট মোকাবিলায় সহায়ক হবে। আইওএম বাংলাদেশ মিশনের প্রধান জিউসেপ্পে লোপ্রেতে জানান ২০২৬ সালেও কক্সবাজারে মানবিক সহায়তার প্রয়োজন ক্রমশ বাড়বে। দীর্ঘমেয়াদি কোনো সমাধান না হওয়ায় শরণার্থীদের চাহিদা বেড়েই চলেছে।
জাপান সরকারের এই উদার সহায়তার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন এই অনুদান আইওএম ও এর অংশীদারদের জীবন রক্ষাকারী সেবা প্রদান এবং জলবায়ু পরিবর্তনজনিত দুর্যোগ মোকাবিলায় সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করবে। বাংলাদেশ সরকার ও সংশ্লিষ্ট অংশীদারদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় বজায় রেখে ক্ষতিগ্রস্ত এই বিশাল জনগোষ্ঠীর সুরক্ষায় তারা কাজ করে যাচ্ছে বলে আইওএম এর পক্ষ থেকে জানানো হয়।
এসএএস/ ৩ মার্চ ২০২৬









