লেবাননে ইসরায়েলি আগ্রাসনের পাল্টা জবাবে তিনটি সামরিক ঘাঁটিতে হিজবুল্লাহর আঘাত

, ৩ মার্চ – লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ মঙ্গলবার নিশ্চিত করেছে যে লেবাননে তাদের শক্ত ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইসরায়েলি হামলার প্রত্যুত্তরে তারা ইসরায়েলের তিনটি সামরিক ঘাঁটিতে আঘাত হেনেছে।
ইসরায়েল বাসিন্দাদের সরে যাওয়ার সতর্কবার্তা জারি করার পরপরই বৈরুতের দক্ষিণ উপশহর ও দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে ধারাবাহিক বিমান হামলা অব্যাহত রেখেছে। লেবাননের কর্তৃপক্ষ সোমবার জানিয়েছে যে চলমান হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো থেকে প্রায় ২৯ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
ইসরায়েল মঙ্গলবার সকালে ঘোষণা দেয় যে তারা তেহরান ও বৈরুতে সমন্বিত হামলার নতুন একটি ধাপ শুরু করেছে। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী আরও জানিয়েছে যে সীমান্ত বরাবর অগ্রবর্তী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে তারা দক্ষিণ লেবাননের কয়েকটি স্থানে সেনা মোতায়েন করেছে। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ জানিয়েছেন যে ইসরায়েলি সীমান্তবর্তী জনপদে হামলা প্রতিরোধে লেবাননের অভ্যন্তরে অতিরিক্ত কৌশলগত অবস্থান নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার জন্য তিনি ইসরায়েল ডিফেন্স ফোর্সেস বা আইডিএফকে অনুমোদন দিয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনি নিহত হওয়ার প্রতিশোধ নেওয়ার ঘোষণা দিয়ে হিজবুল্লাহ ইসরায়েলের ওপর প্রাথমিক হামলা চালালে সোমবার লেবানন এই আঞ্চলিক যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। ইসরায়েল দ্রুত লেবাননে ব্যাপক হামলা শুরু করে এবং লেবানন সরকার হিজবুল্লাহর সামরিক কার্যক্রমের ওপর তাৎক্ষণিক নিষেধাজ্ঞা জারি করে।
পৃথক এক বিবৃতিতে হিজবুল্লাহ জানিয়েছে যে তারা উত্তর ইসরায়েলে রামাত দাভিদ বিমানঘাঁটি এবং মেরোন পর্যবেক্ষণ ঘাঁটিতে হামলা চালাতে আক্রমণাত্মক ড্রোন ব্যবহার করেছে। এছাড়া অধিকৃত গোলান মালভূমিতে অবস্থিত নাফাখ ঘাঁটি বা ক্যাম্প ইৎসহাক লক্ষ্য করে রকেট নিক্ষেপ করা হয়েছে বলেও তারা উল্লেখ করে।
হিজবুল্লাহর দাবি অনুযায়ী লেবাননের ডজনখানেক শহর ও জনপদের ওপর ইসরায়েলি আগ্রাসনের জবাব হিসেবেই এসব হামলা চালানো হয়েছে।
এম ম/ ৩ মার্চ ২০২৬









