বগুড়া

ধানের জমিতে তরমুজ চাষ করে তিন ভাইয়ের বাজিমাত

বরগুনা, ১ মার্চ – ধানের জমিতে প্রথাগত চাষাবাদের বদলে বিকল্প কিছু করার ভাবনা থেকে তরমুজ চাষের সিদ্ধান্ত নেন তিন ভাই। পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকলেও নিজেদের আগ্রহ ও আধুনিক কৃষিপ্রযুক্তির সমন্বয়ে তারা চাষাবাদ শুরু করেন।

প্রথমবারই প্রত্যাশার চেয়ে বেশি ফলন পেয়ে বাজিমাত করেছেন বরগুনার বেতাগী উপজেলার সরিষামুড়ি ইউনিয়নের ভোড়া কালিকাবাড়ি গ্রামের তিন যুবক। রাসেল, শাহাবুদ্দিন ও রিয়াদ নামের এই তিন সহোদরের যৌথ উদ্যোগে এক একর জমিতে করা তরমুজ ক্ষেতে এখন বাম্পার ফলন দেখা দিয়েছে।

তিন ভাইয়ের পরিবার সূত্র জানায় শুরুতে কিছুটা ঝুঁকি থাকলেও আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং রোগবালাইয়ের প্রকোপ কম হওয়ায় ফলন হয়েছে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি। ক্ষেতজুড়ে তরমুজের সমারোহ দেখতে প্রতিদিনই ভিড় করছেন স্থানীয়রা এবং তিন ভাইয়ের এই সফলতা এলাকাবাসীর কাছে এখন অনুকরণীয় দৃষ্টান্তে পরিণত হয়েছে। তরমুজ চাষি রাসেল জানান প্রতি একরে গড়ে ২০০ থেকে ৩০০ মণ তরমুজ ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে।

তিনি বলেন ইতিমধ্যে পাইকাররা ক্ষেত থেকে তরমুজ কিনতে এলেও আমরা বিক্রি করিনি এবং বাজারে ভালো দাম পেলে খরচ বাদ দিয়ে উল্লেখযোগ্য লাভের আশা করছি। ছোট ভাই চাষি রিয়াদ বলেন পরিশ্রম আর সঠিক পরিকল্পনা থাকলে কৃষিতে সফলতা সম্ভব তাই আমরা আগামী বছর আরও বেশি জমিতে তরমুজ আবাদ করতে চাই।

স্থানীয় কৃষি বিভাগ বলছে আধুনিক পদ্ধতি ও সময়মতো পরিচর্যার কারণেই এ সফলতা এসেছে। বেতাগী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম বলেন উপকূলীয় অঞ্চলের মাটি তরমুজ চাষের জন্য উপযোগী এবং সঠিক সময় বীজ বপন ও সেচ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করায় ফলন ভালো হয়েছে।

বেতাগী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহা. সাদ্দাম হেসেন জানান উপজেলার চাহিদা মিটিয়ে এখানে উৎপাদিত তরমুজ অন্য উপজেলায় বিক্রি করা যাবে যার ফলে চাষিরা লাভবান হবেন।

এম ম/ ১ মার্চ ২০২৬


Back to top button
🌐 Read in Your Language