সামরিক চাপে ইরান কেন নতি স্বীকার করছে না, কৌতূহলী ট্রাম্প

ওয়াশিংটন, ২২ ফেব্রুয়ারি – সামরিক চাপ বৃদ্ধির পরও ইরান এখনো নতি স্বীকার করে তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করতে রাজি হচ্ছে না। বিষয়টি নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মনে কৌতূহল জেগেছে বলে জানিয়েছেন তার বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ।
শনিবার ফক্স নিউজের অনুষ্ঠান ‘মাই ভিউ উইথ লারা ট্রাম্প’-এ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে উইটকফ এই তথ্য জানান।
তিনি উল্লেখ করেন যে ট্রাম্পের হাতে অনেক বিকল্প রয়েছে, তাই তিনি হতাশার বদলে বরং কৌতূহলী যে ইরান কেন এখনো নতি স্বীকার করেনি।
উইটকফ প্রশ্ন তোলেন, এত ব্যাপক নৌ ও সামুদ্রিক শক্তি মোতায়েনের পরও ইরান কেন আলোচনার টেবিলে এসে অস্ত্র ত্যাগের ঘোষণা দিচ্ছে না। তাদের সেই অবস্থানে নিয়ে আসাটা কঠিন হয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
ট্রাম্প ইতোমধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে বড় আকারের সামরিক সমাবেশের নির্দেশ দিয়েছেন এবং ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য কয়েক সপ্তাহব্যাপী বিমান হামলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলেও জানা গেছে।
অন্যদিকে ইরান হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে তাদের ওপর হামলা হলে তারা যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে পাল্টা আঘাত হানবে।
ওয়াশিংটন চায় ইরান সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম কর্মসূচি পরিত্যাগ করুক, যা পারমাণবিক বোমা তৈরিতে ব্যবহারযোগ্য। একইসঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে সমর্থন বন্ধ করা এবং ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিতে সীমা আরোপের দাবিও জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
তেহরান দাবি করছে তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ এবং আর্থিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিনিময়ে কিছু সীমাবদ্ধতা মেনে নিতে তারা প্রস্তুত। তবে ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি বা আঞ্চলিক গোষ্ঠীগুলোকে সমর্থনের বিষয়টি পারমাণবিক আলোচনার সঙ্গে যুক্ত করতে তারা রাজি নয়।
উইটকফ সতর্ক করে বলেন, ইরান বেসামরিক প্রয়োজনের চেয়ে অনেক বেশি অর্থাৎ ৬০ শতাংশ পর্যন্ত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করেছে। তারা হয়তো শিল্পমানের বোমা তৈরির উপাদান পাওয়ার খুব কাছাকাছি রয়েছে। এছাড়া ট্রাম্পের নির্দেশে উইটকফ ইরানের ক্ষমতাচ্যুত শাহের পুত্র ও বিরোধী নেতা রেজা পাহলভির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বলেও জানান।
এনএন/ ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬









