আগামী ৬ মাসের মধ্যে মোংলা বন্দরের আমূল পরিবর্তন দৃশ্যমান হবে: নৌপরিবহন মন্ত্রী

মোংলা বন্দর, ২১ ফেব্রুয়ারি – নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানিয়েছেন, স্বল্প সময়ের মধ্যে কিছু নির্দিষ্ট সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে মোংলা বন্দরকেও চট্টগ্রাম বন্দরের মতোই সফল এবং সক্ষম বন্দর হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে। বর্তমান সরকারের ১৮০ দিনের অগ্রাধিকার কর্মসূচির আওতায় মোংলা বন্দরকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই ছয় মাসের অগ্রাধিকার পরিকল্পনার বাস্তবায়ন হলে মোংলা বন্দরের কার্যক্রমে আমূল পরিবর্তন দৃশ্যমান হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
শনিবার দুপুরে মোংলা বন্দর জেটিতে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি উল্লেখ করেন, মোংলা নদীর ওপর একটি ঝুলন্ত সেতুর প্রয়োজনীয়তা রয়েছে এবং বিষয়টি সরকার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিবেচনা করবে। এছাড়া মোংলা-খুলনা রেলপথে যাত্রী ও পণ্য পরিবহনের গতি বাড়াতে দ্রুততম সময়ের মধ্যে নতুন রেল কোচ ও ইঞ্জিন এনে একাধিক ট্রেন চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।
এর আগে মন্ত্রী মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় যোগ দেন। সভায় স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। মতবিনিময়কালে দুই মন্ত্রীকে বন্দরের সার্বিক কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত করা হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নুরুন্নাহার চৌধুরী, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল শাহীন রহমান, সদস্য (হারবার ও মেরিন) কমডোর মোঃ শফিকুল ইসলাম সরকার, সদস্য (অর্থ) ও পরিচালক (প্রশাসন) আবেদ হোসেন, সদস্য (প্রকৌশল ও উন্নয়ন) ড. আনিসুর রহমান এবং পরিচালক (বোর্ড) কালাচাঁদ সিংহ উপস্থিত ছিলেন।
এস এম/ ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬









