উত্তর আমেরিকা

মাদুরোকে আটকের এক মাস পর ভেনেজুয়েলা সফরে যাচ্ছেন ট্রাম্প

ওয়াশিংটন, ১৪ ফেব্রুয়ারি – সামরিক অভিযান চালিয়ে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো এবং তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে আসার এক মাসেরও বেশি সময় পর দেশটিতে সফরের ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ভেনেজুয়েলার বর্তমান অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগুয়েজের সঙ্গে তার অত্যন্ত ইতিবাচক সম্পর্ক রয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি।

হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে ট্রাম্প জানান, ভেনেজুয়েলার বর্তমান সরকারের নেতৃত্বে তেল উত্তোলন ও বিপণনের ক্ষেত্রে দেশটির সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করছে যুক্তরাষ্ট্র। দুই দেশের বর্তমান সম্পর্ককে তিনি সর্বোচ্চ নম্বর দিতে চান বলে মন্তব্য করেন।

দেলসি রদ্রিগুয়েজের নেতৃত্বাধীন সরকারকে যুক্তরাষ্ট্র স্বীকৃতি দিয়েছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প ইতিবাচক সাড়া দেন এবং জানান যে তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করা হচ্ছে।

ভেনেজুয়েলা তেল সম্পদে বিশ্বের অন্যতম ধনী রাষ্ট্র। ইউএস অ্যানার্জি ইনফরমেশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে বিশাল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল ও স্বর্ণের মজুত রয়েছে। তবে বামপন্থী প্রেসিডেন্ট মাদুরোর সঙ্গে ট্রাম্পের সম্পর্ক বরাবরই বৈরী ছিল। গত ৪ জানুয়ারি কারকাসে অভিযান চালিয়ে মাদুরো ও তার স্ত্রীকে আটক করে নিউইয়র্কে নিয়ে যায় মার্কিন বাহিনী। মাদক পাচারের অভিযোগে বর্তমানে তারা ফেডারেল কারাগারে বন্দি রয়েছেন এবং বিচারের অপেক্ষায় আছেন। মাদুরোকে আটকের পর ট্রাম্প জানিয়েছিলেন যে ভেনেজুয়েলার তেল সম্পদের তদারকি এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্র করবে।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও নিশ্চিত করেছেন যে অনির্দিষ্টকালের জন্য এই নিয়ন্ত্রণ বজায় থাকবে। এদিকে মাদুরোকে আটকের পরপরই আদালতের নির্দেশে ভাইস প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগুয়েজ ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

সম্প্রতি বিবিসির সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে রদ্রিগুয়েজ জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তেল ও রাজনৈতিক বিষয়ে একটি কূটনৈতিক সমঝোতা হয়েছে, তবে দেশটির সার্বভৌমত্ব ওয়াশিংটনের কাছে সমর্পণ করা হয়নি।

এনএন/ ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


Back to top button
🌐 Read in Your Language