নীলফামারী

নীলফামারী-৪ জামানত হারালেন ৬ প্রার্থী, লক্ষাধিক ভোটে বিজয়ী জামায়াত প্রার্থী

নীলফামারী-৪, ১৪ ফেব্রুয়ারি – সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ এর ফলাফলে নীলফামারী ৪ (সৈয়দপুর ও কিশোরগঞ্জ) আসনে অংশগ্রহণকারী নয়জন প্রার্থীর মধ্যে ছয়জনেরই জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে সংসদ নির্বাচনের বিধি অনুযায়ী কোনো প্রার্থী মোট প্রদত্ত ভোটের এক অষ্টমাংশ বা সাড়ে ১২ শতাংশ ভোট না পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়ে যায়। নীলফামারী ৪ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৫১ হাজার ৮১৫ জন এবং এর মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ২ লাখ ৯৭ হাজার ২৫৪ জন।

বাতিল হওয়া ভোটের সংখ্যা ৭ হাজার ৫৭। ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায় নয়জন প্রার্থীর মধ্যে ছয়জনই জামানত রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ভোট পেতে ব্যর্থ হয়েছেন। জামানত হারানো প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো শহিদুল ইসলাম হাতপাকা প্রতীকে আট হাজার ৩৩৫ ভোট পেয়েছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী মো রিয়াদ আরফান সরকার ফুটবল প্রতীকে ৩ হাজার ৮২৬ ভোট এবং জোবায়দুর রহমান হীরা ঘোড়া প্রতীকে এক হাজার ৮ ভোট পেয়েছেন। এছাড়া বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (মাকর্সবাদী) মো মাইদুল ইসলাম কাঁচি প্রতীকে ৬৩০ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী এস এম মামুনুর রশিদ মোটরসাইকেল প্রতীকে ৪৩৬ ভোট এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির মির্জা মো শওকত আকবর রওশন কাঁঠাল প্রতীকে মাত্র ৯৭ ভোট পেয়েছেন। উল্লেখ্য স্বতন্ত্র প্রার্থী এস এম মামুনুর রশিদ এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির মির্জা মো শওকত আকবর রওশন ভোটগ্রহণের এক সপ্তাহ আগেই নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়ে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীকে সমর্থন জানিয়েছিলেন।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে নীলফামারী ৪ আসনে সংসদ সদস্য পদে বিজয়ী হয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী হাফেজ মো আব্দুল মুনতাকিম। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে তিনি ১ লাখ ২৬ হাজার ২২২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বা বিএনপির প্রার্থী অধ্যক্ষ মো আব্দুল গফুর সরকার ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৮২ হাজার ৮৬ ভোট। অন্যদিকে জাতীয় পার্টি (এরশাদ) মনোনীত প্রার্থী মো সিদ্দিকুল আলম সিদ্দিক লাঙ্গল প্রতীকে ৬৭ হাজার ৫৫৭ ভোট পেয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন।

এ এম/ ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


Back to top button
🌐 Read in Your Language