ইইউর চোখে নির্বাচন বিশ্বাসযোগ্য হলেও নারী প্রার্থী ও সহিংসতা নিয়ে উদ্বেগ

ঢাকা, ১৪ ফেব্রুয়ারি – ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে বিশ্বাসযোগ্য ও দক্ষতার সঙ্গে পরিচালিত বলে অভিহিত করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন। তবে নারী প্রার্থীর স্বল্পতা, বিচ্ছিন্ন রাজনৈতিক সহিংসতা, অনলাইনে বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণা এবং কিছু প্রক্রিয়াগত সীমাবদ্ধতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।
শনিবার সকালে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষক ইভার্স ইজাবস এই মূল্যায়ন তুলে ধরেন।
তিনি উল্লেখ করেন, ২০০৮ সালের পর এই প্রথমবারের মতো নির্বাচনটি সত্যিকারের প্রতিযোগিতামূলক হয়েছে এবং একটি নবায়নকৃত আইনি কাঠামোর অধীনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে নির্বাচনটি অনেকাংশে সামঞ্জস্যপূর্ণ হলেও স্থানীয় কিছু সহিংসতা ও অনলাইন বিভ্রান্তি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। বিশেষ করে নারীদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণের সীমিত পরিসরকে বড় হতাশা হিসেবে চিহ্নিত করেন তিনি।
নির্বাচনে মাত্র ৪ শতাংশ নারী প্রার্থী ছিলেন উল্লেখ করে তিনি জানান, পিতৃতন্ত্র, বৈষম্য, অনলাইন হয়রানি ও চরিত্রহনন নারীদের অংশগ্রহণে প্রধান বাধা হিসেবে কাজ করেছে।
এছাড়া আদিবাসী ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব নিয়ে হতাশা এবং জনপরিসরে ধর্মীয় বক্তব্যের অতিরিক্ত ব্যবহার নিয়েও উদ্বেগ জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে অন্তত ৫৬টি সহিংস ঘটনার খবর পাওয়া গেছে, যাতে শতাধিক মানুষ হতাহত হয়েছেন। নারী প্রচারকর্মীদের বিরুদ্ধে হয়রানি ও সম্পত্তিতে হামলার ঘটনাও ঘটেছে। যেকোনো ধরনের সহিংসতা গণতান্ত্রিক নির্বাচনের পরিপন্থি বলেও মন্তব্য করেন ইইউ প্রধান পর্যবেক্ষক।
এনএন/ ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬









