জাতীয়

সরকার গঠন ও তারেক রহমানের শপথ গ্রহণে পরবর্তী সাংবিধানিক ধাপগুলো কী?

ঢাকা, ১৪ ফেব্রুয়ারি – বৃহস্পতিবার দেশব্যাপী অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বা বিএনপি। নির্বাচনে দুই তৃতীয়াংশের বেশি সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করেছে দলটি। সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা হিসেবে দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানই যে প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেবেন তা অনেকটাই নিশ্চিত।

তবে শপথ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসতে বেশ কিছু সাংবিধানিক ধাপ অনুসরণ করতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়োগ ও শপথ পাঠ। এর মাধ্যমেই বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের শাসনকালের অবসান ঘটবে এবং নির্বাচিত সরকারের পথচলা শুরু হবে। নির্বাচন কমিশন বা ইসি ইতোমধ্যে নির্বাচনের ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশ করেছে।

গেজেট প্রকাশের তিন দিনের মধ্যে সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি মনোনীত ব্যক্তি। সংবিধানের তৃতীয় তফসিলের বিধান অনুযায়ী সাধারণত স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ান। তবে স্পিকারের পদত্যাগ ও ডেপুটি স্পিকার কারাগারে থাকায় তাদের শপথ পাঠ নিয়ে জটিলতা রয়েছে। এক্ষেত্রে সংবিধানের ১৪৮(২)ক অনুচ্ছেদে সমাধান দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে যে নির্বাচিত সদস্যদের শপথ পাঠ পরিচালনায় নির্দিষ্ট ব্যক্তি ব্যর্থ হলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে উক্ত শপথ পাঠ পরিচালনা করবেন।

সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণের পর রাষ্ট্রপতি সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে বিজয়ী দলের নেতাকে সরকার গঠনের জন্য আহ্বান জানাবেন। সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রীদের নিয়োগ দান করবেন। প্রধানমন্ত্রী এবং মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাদের পদের ক্ষমতা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যকর হবে। সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী শপথ গ্রহণের পরপরই তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন বলে গণ্য হবে এবং এর মধ্য দিয়ে ক্ষমতার আনুষ্ঠানিক হস্তান্তর সম্পন্ন হবে।

এস এম/ ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


Back to top button
🌐 Read in Your Language