জাতীয়

এনআইডি জালিয়াতি বন্ধে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বসবে ইসি

ঢাকা, ১৩ অক্টোবর- নির্বাচন কমিশনের জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম বলেছেন, এনআইডি পাওয়ার ক্ষেত্রে অত্যাবশ্যকীয় জন্মনিবন্ধন, শিক্ষা, নাগরিক সনদের জালিয়াতি রোধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

এ জন্যে স্থানীয় সরকার, শিক্ষামন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক করা হবে।

মঙ্গলবার নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের একথা বলেন তিনি।

ব্রিগেডিয়ার সাইদুল বলেন, “এনআইডি পর্যন্ত আসার আগেই যে জালিয়াতি হচ্ছে, সেগুলোও তো রোধ করতে হবে। মূল শেকড় যদি উঠাতে না পারি, তাহলে কিন্তু এই জালিয়াতি ঠেকানো অত্যন্ত কঠিন।

“শুধু নির্বাচন কমিশন ও এনআইডি উইংয়ের একার পক্ষে এ ধরনের দুর্নীতি রোধ করা অত্যন্ত কঠিন। এজন্য আমরা পরিকল্পনা করছি, এ মাসের শেষের দিকে স্থানীয় সরকার, শিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ এনআইডি কার্যক্রমের সাথে সংশ্লিষ্টদের নিয়ে বৈঠক করব।”

তিনি বলেন, জন্ম নিবন্ধন সঠিক হলে আইনগতভাবে জাতীয় পরিচয়পত্র দিতে বাধ্য। নাগরিকত্ব সনদ, শিক্ষাগত যোগ্যতা, ওয়ারিশন সনদ সঠিক থাকলে এনআইডি উইংয়ের পক্ষে এনআইডি না দেওয়া কঠিন।

“বৈঠকে বিষয়গুলো তুলে ধরবো আমরা। যাতে করে এনআইডি কর্তৃপক্ষের কাছে আসার আগেই বিষয়গুলো ধরা পড়ে যায় বা জন্ম নিবন্ধন, নাগরিকত্ব সনদ, শিক্ষাগত যোগ্যতার জালিয়াতি না করতে পারে।”

স্বল্প লোকবল দিয়ে ১১ কোটি মানুষের এনআইডি সেবা, তদারকিসহ সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়টি তুলে ধরেন এনআইডি উইংয়ের মহাপরিচালক।

আরও পড়ুন: ফেসবুক শমী কায়সারের বিয়ে নিয়ে সিদ্দিকী নাজমুলের স্ট্যাটাস

তিনি বলেন, “এনআইডি জালিয়াতির সঙ্গে যারা জড়িতে তাদের তাদের ধরতে আমরা দেশব্যাপী সাঁড়াশি অভিযান চালাচ্ছি। আমাদের কর্মকর্তা-কর্মচারী এখন নজরদারিতে আছেন।

“তবে এনআইডি পর্যন্ত আসার আগেই যে জালিয়াতি হচ্ছে, সেগুলোও তো রোধ করতে হবে।… আমরা যে পারছি না, তা নয়। তবে একটি জিনিসকে ম্যাচিউর্ড পর্যায়ে আসতে সময় ও রিসোর্স প্রয়োজন।”

ব্রিগেডিয়ার সাইদুল জানান, ২০১৩ সাল থেকে এখন পর্যন্ত ৩৯ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।

“চাকরিচ্যুত হওয়ার পর তারা বাইরে গিয়ে একটি চক্র তৈরি করছে। চক্রের মাধ্যমে তারা অনিয়ম-দুর্নীতির চেষ্টা, অপচেষ্টা বা দুর্নীতি চালাচ্ছে।”

সূত্র: বিডিনিউজ২৪

আর/০৮:১৪/১৩ অক্টোবর

Back to top button