পুষ্টি

ওজন কমাতে ও পুষ্টির চাহিদা মেটাতে আতাফলের জাদুকরী গুণ

ঢাকা, ১০ ফেব্রুয়ারি – সুস্বাদু ফল আতা কেবল খেতেই মজা নয়, এর রয়েছে অসাধারণ স্বাস্থ্য ও পুষ্টিগুণ। প্রচুর পরিমাণে আমিষ ও শর্করা জাতীয় উপাদান ছাড়াও এতে আছে ভিটামিন সি, ভিটামিন এ, পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেশিয়াম। সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে এই ফলটিতে বিশেষ ধরনের ফাইবার রয়েছে যা অন্ত্রের জন্য অত্যন্ত উপকারী। অন্ত্র ভালো থাকলে বিপাকহার উন্নত হয় এবং ফলে শরীরের ক্যালরি দ্রুত পোড়ে। আতা খেতে মিষ্টি হলেও এর মিষ্টত্ব প্রাকৃতিক শর্করা থেকে আসে বলে ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য এটি খুব একটা ক্ষতিকর নয়, তবে অবশ্যই তা পরিমিত পরিমাণে খাওয়া উচিত। ওজন নিয়ন্ত্রণে আতাফলের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শরীরের অতিরিক্ত ক্যালরি জমা হওয়া রোধ করতে কম ক্যালরিযুক্ত খাবার হিসেবে আতা আদর্শ।

নিয়মিত শরীরচর্চা বা কায়িক পরিশ্রমের সুযোগ না থাকলে এই ফলটি ডায়েটে রাখা যেতে পারে। এতে থাকা সহজপাচ্য ফাইবার অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে এবং দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে। এতে ঘন ঘন ক্ষুধা পাওয়ার প্রবণতা কমে যায়। ওজন কমানোর প্রধান শর্ত হলো বিপাকহার উন্নত করা। আতাফলে থাকা অ্যাসটোজেনিন নামক উপাদান বিপাকহার বাড়িয়ে ক্যালরি ঝরাতে সহায়তা করে। রক্তে শর্করার মাত্রা স্বাভাবিক রাখতেও আতা বিশেষ ভূমিকা পালন করে। এর গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম হওয়ায় ডায়াবেটিস থাকলেও এই ফল খাওয়া নিরাপদ। রক্তে হঠাৎ শর্করার মাত্রা ওঠানামা করার ঝুঁকি এড়াতে আতা বেশ কার্যকর। এছাড়াও পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়ামের মতো খনিজ উপাদান উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ এবং কিডনির সুরক্ষায় সহায়তা করে। পেশি মজবুত করতে এবং শরীরে ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখতেও আতাফলের জুড়ি নেই।

এস এম/ ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


Back to top button
🌐 Read in Your Language