কূটনৈতিক পাসপোর্ট জমার বিষয়ে যা বললেন অর্থ উপদেষ্টা

ঢাকা, ৪ ফেব্রুয়ারি – অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, তিনি তার কূটনৈতিক পাসপোর্ট জমা দিয়েছেন। এছাড়া উপদেষ্টাদের অনেকেই পাসপোর্ট জমা দিয়েছেন বলেও তিনি জানিয়েছেন।
আজ (মঙ্গলবার) বিকেলে সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকের পর সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
অর্থ উপদেষ্টা বলেন, আমি পাসপোর্ট জমা দিয়ে দিয়েছি, আর কোথাও যাবো না। খুব জরুরি কোনো কাজ নেই। সাধারণত জরুরি মিটিং ছাড়া কোনো মিটিংয়ে যাই না। শুধু আমি না, অনেকে জমা দিয়েছে, আমাদের দেওয়া প্রয়োজনই আছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আগামীতে বা নির্বাচনের আগে যে চুক্তি করা হবে, তা নির্বাচিত সরকারের জন্য চাপ সৃষ্টি করবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ওয়াশিংটন ডিসিতে বাংলাদেশের সঙ্গে যে চুক্তি হচ্ছে, তার ব্যাপারে আমি জানি না। আমেরিকার সঙ্গে ওই বিষয়ে আমি জড়িত নই। আমাকে জিজ্ঞেস করে লাভ কি?
নির্বাচনে গণভোটে কত টাকা খরচ হলো—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি একদম সঠিকভাবে জানি না। খরচ খুব বেশি নয়। মোটামুটি আমাদের মূল লক্ষ্য ছিল নির্বাচন সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্নভাবে সম্পন্ন হওয়া। যেমন সিসি ক্যামেরা লাগানো—এ বিষয়ে আমরা কোনো কার্পণ্য করিনি এবং যে টাকা চেয়েছিলাম, তা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া অ্যাডিশনাল কিছু টাকা চাওয়ার কথাও থাকলে তা দেওয়া হয়েছে।
দেড় বছর দায়িত্বে থেকে অর্থ উপদেষ্টা হিসেবে দেশের অর্থনীতিকে কোন অবস্থায় রেখে যাচ্ছেন—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি মনে করি দেশের অর্থনীতি একটি সন্তোষজনক অবস্থায় রেখে যাচ্ছি। ভবিষ্যতের সরকারও এতে কোনো অসুবিধার মুখোমুখি হবে না।
কিভাবে সন্তোষজনক—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, সন্তোষজনক মানে অর্থনীতি স্থিতিশীল। এখন জিনিসপত্র আগের মতো অস্থির নয়, ভবিষ্যতের সরকার এটাকে চালিয়ে যেতে পারবে।
সর্বোচ্চ ঋণ নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে ড. সালেহউদ্দিন বলেন, সর্বোচ্চ ঋণ নিয়েছি, এবং এর মধ্যে ৬ বিলিয়ন ডলার শোধও দিয়েছি।
এনএন/ ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬









