মধ্যপ্রাচ্য

উত্তেজনার মধ্যেই আলোচনার টেবিলে বসার ইঙ্গিত ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের

ইরান, ১ ফেব্রুয়ারি – পাল্টাপাল্টি হুমকি ও চলমান উত্তেজনার আবহেই এবার আলোচনার টেবিলে বসার ইঙ্গিত দিয়েছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। রোববার আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে উভয় পক্ষই আলোচনা পুনরায় শুরু করতে প্রস্তুত বলে আভাস দিয়েছে।

এ ক্ষেত্রে তুরস্ক ও কাতারের মতো আঞ্চলিক মিত্র দেশগুলো উত্তেজনা প্রশমনে মধ্যস্থতার চেষ্টা চালাচ্ছে। এর আগে শনিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন যে ইরান বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখছে এবং আলোচনা চলছে। তবে ইরানের বিরুদ্ধে শেষ পর্যন্ত কোনো সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে কি না সে বিষয়টি স্পষ্ট করেননি ট্রাম্প।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি কিছুটা ধোঁয়াশা রেখে বলেন কেউ কেউ মনে করছে হামলা হবে আবার কেউ কেউ মনে করছে হবে না। অন্যদিকে ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলি লারিজানি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানিয়েছেন যে কাঠামোগত আলোচনার প্রক্রিয়া সামনের দিকে এগোচ্ছে। তবে তেহরান সাফ জানিয়ে দিয়েছে তাদের আত্মরক্ষামূলক সক্ষমতা বা ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে কোনো প্রকার সমঝোতা করা হবে না।

সাম্প্রতিক সময়ে ইরানে বিক্ষোভ দমনে খামেনি সরকারের কঠোর অবস্থানের সমালোচনা করে সামরিক হস্তক্ষেপের হুমকি দিয়েছিলেন ট্রাম্প। এর মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে বিমানবাহী রণতরীসহ শক্তিশালী নৌবহর মোতায়েন করেছে ওয়াশিংটন। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ছয়টি ডেস্ট্রয়ার একটি বিমানবাহী রণতরী ও তিনটি উপকূলীয় যুদ্ধজাহাজ অবস্থান করছে।

এদিকে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ডবাহিনী বা আইআরজিসিকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন সম্প্রতি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে। এর কড়া জবাব দিয়েছে তেহরান। রোববার দেশটির সংসদ সদস্যরাও ইউরোপীয় দেশগুলোর সামরিক বাহিনীকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে ঘোষণা করে আইন পাস করেছেন। এই অধিবেশনে সংহতি প্রকাশের লক্ষ্যে আইনপ্রণেতারা আইআরজিসির সবুজ ইউনিফর্ম পরে অংশ নেন।

এস এ এস / ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


Back to top button
🌐 Read in Your Language