জাতীয়

ভোটের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা-কর্মচারীরা গণভোটের পক্ষে-বিপক্ষে কাজ করতে পারবেন না

ঢাকা, ২৭ জানুয়ারি – এবারের ভোটে যেসব ব্যক্তি নির্বাচনি কাজে দায়িত্ব পালন করবেন, তারা আইন অনুযায়ী গণভোটের পক্ষে বা বিপক্ষে কোনো প্রচারণায় অংশ নিতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে গণভোট নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অবস্থান তুলে ধরেন তিনি।

গণভোট বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের অবস্থান কী— এমন প্রশ্নের জবাবে আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, গণভোট আয়োজনের জন্য নির্বাচন কমিশন সবাইকে উদ্বুদ্ধ করছে। তবে যাঁরা নির্বাচনি কাজে দায়িত্বে থাকবেন, তারা আইনগতভাবে কোনো পক্ষে অবস্থান নিতে পারবেন না। নির্বাচনি দায়িত্বে থাকা রিটার্নিং অফিসার, অ্যাসিস্ট্যান্ট রিটার্নিং অফিসার এবং অন্যান্য কর্মকর্তারা গণভোট সংক্রান্ত কাজ করবেন, কিন্তু পক্ষে বা বিপক্ষে প্রচারণায় যাবেন না।

মঙ্গলবার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে আয়োজিত ওই সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি জানান, জাতীয় নির্বাচনে মোট ২০ লাখ কর্মকর্তা-কর্মচারী নির্বাচনি দায়িত্বে থাকবেন। এসব কর্মকর্তা-কর্মচারী কেউই গণভোটের পক্ষে বা বিপক্ষে প্রচার করতে পারবেন না।

নির্বাচনি পরিবেশ সম্পর্কে তিনি বলেন, বিভিন্ন মাধ্যমে যে খবর আসছে এবং মাঠ পর্যায়ে সরেজমিনে পরিদর্শন করে যা দেখা যাচ্ছে, তাতে নির্বাচন কমিশনের ধারণা এবারের নির্বাচনের মাঠের পরিবেশ খুব ভালো রয়েছে।

একজন প্রার্থীর ওপর হামলার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন কোনো ধরনের শঙ্কা প্রকাশ করছে না। একই সঙ্গে রাজনৈতিক নেতারা নিয়মিত নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে দেখা করছেন এবং তাদের পরামর্শ ও পর্যবেক্ষণ তুলে ধরছেন। সেগুলোর ভিত্তিতে কমিশন তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিচ্ছে। পাশাপাশি সাংবাদিকদের মাধ্যমে যেসব বিষয় সামনে আসছে, সেগুলোও দ্রুত রিটার্নিং অফিসারদের নজরে আনা হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত বাহিনীকে এসব ঘটনা নিবারণ, প্রতিরোধ এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য দ্রুত নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে।

কমিশন এখন পর্যন্ত কী ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছে— এমন প্রশ্নের জবাবে আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, রিটার্নিং অফিসাররা নির্বাচন কমিশনেরই প্রতিনিধি এবং তাদের সব ধরনের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। তাই কোনো অভিযোগ কমিশনের কাছে এলেও প্রাথমিকভাবে তা রিটার্নিং অফিসারের কাছে পাঠানো হচ্ছে। মাঠ পর্যায়ে বিদ্যমান আদালত, ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি ও বিচারক কমিটি প্রতিটি আসনে রয়েছে। জয়েন্ট ডিস্ট্রিক্ট জাজ পর্যায়ের বিচারকরা তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়গুলো আমলে নিচ্ছেন এবং বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। পাশাপাশি প্রতিদিনই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে।

এনএন/ ২৭ জানুয়ারি ২০২৬


Back to top button
🌐 Read in Your Language