আইসিসির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা: বিশ্বকাপে বাংলাদেশের জায়গায় খেলবে স্কটল্যান্ড

ঢাকা, ২৪ জানুয়ারি – বাংলাদেশ ভারতে খেলতে না যাওয়ার একাট্টা অবস্থানের পর আইসিসি আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের সিদ্ধান্ত প্রকাশ করেছে। আজ (শনিবার) সন্ধ্যায় প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের আইসিসি পুরুষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের জায়গায় স্কটল্যান্ড অংশগ্রহণ করবে।
আইসিসি জানিয়েছে, ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত ২০ দলের এই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করতে অস্বীকার করায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ভারতের মাটিতে বাংলাদেশ জাতীয় দলের জন্য কোনো বিশ্বাসযোগ্য বা যাচাইযোগ্য নিরাপত্তা ঝুঁকি না থাকায়, আইসিসি বিসিবির ভারত থেকে শ্রীলঙ্কায় ম্যাচ স্থানান্তরের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছে। এরপরই স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করার ঘোষণা আসে।
আইসিসি জানিয়েছে, ভারতের নির্ধারিত ম্যাচ আয়োজন সংক্রান্ত বিসিবির উদ্বেগ সমাধানের জন্য তারা তিন সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে স্বচ্ছ ও গঠনমূলকভাবে ভিডিও কনফারেন্স এবং সরাসরি বৈঠকের মাধ্যমে একাধিকবার আলোচনা করেছে। এই প্রক্রিয়ায় আইসিসি বিসিবির উদ্বেগগুলো পর্যালোচনা করেছে, অভ্যন্তরীণ ও বহিরাগত বিশেষজ্ঞদের নিরাপত্তা মূল্যায়ন গ্রহণ করেছে এবং কেন্দ্রীয় ও রাজ্য পর্যায়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং ইভেন্টের উন্নত প্রোটোকল বিবেচনা করেছে।
আইসিসির মূল্যায়নে এই সিদ্ধান্ত এসেছে যে, ভারতে বাংলাদেশ জাতীয় দল, কর্মকর্তা বা সমর্থকদের জন্য কোনো বিশ্বাসযোগ্য বা যাচাইযোগ্য নিরাপত্তা হুমকি নেই। এছাড়া আইসিসি বিবেচনা করেছে, সূচী সংশোধন করা হলে টুর্নামেন্টের অখণ্ডতা, অংশগ্রহণকারী দল ও ভক্তদের স্বার্থ এবং ইভেন্টের নিরপেক্ষতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বুধবারের বৈঠকের পর আইবিসির বোর্ড বিসিবিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নিশ্চিত করতে বলেছিল যে তারা নির্ধারিত সূচী অনুযায়ী খেলবে কি না। সময়মতো নিশ্চিতকরণ না পাওয়ায় আইসিসি প্রতিষ্ঠিত গভর্ন্যান্স ও কোয়ালিফিকেশন প্রক্রিয়া অনুযায়ী প্রতিস্থাপক দল বাছাই করার কার্যক্রম শুরু করেছে।
স্কটল্যান্ডকে নেওয়ার কারণ হিসেবে আইসিসি জানায়, টুর্নামেন্টে খেলার যোগ্যতা অর্জন না করা দলগুলোর মধ্যে তারা টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ে সবচেয়ে উপরে। বর্তমানে তারা ১৪তম স্থানে রয়েছে, যা ইতিমধ্যে টুর্নামেন্টে থাকা সাতটি দল—নামিবিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), নেপাল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (ইউএসএ), কানাডা, ওমান এবং ইতালির চেয়ে এগিয়ে।
এনএন/ ২৪ জানুয়ারি ২০২৬









