কক্সবাজারের টেকনাফে দুই পক্ষের গোলাগুলিতে প্রাণ গেল তরুণীর

কক্সবাজার, ১৭ জানুয়ারি – কক্সবাজারের টেকনাফ এলাকায় দুইটি অস্ত্রধারী গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনায় সুমাইয়া আক্তার (১৮) নামে এক তরুণী নিহত হয়েছেন। নিহত সুমাইয়া টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের নোয়াখালীয়াপাড়া এলাকার বাসিন্দা মো. ছিদ্দিকের মেয়ে।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে টেকনাফের নোয়াখালীয়াপাড়া পাহাড়ের পাদদেশে এই গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।
বাহারছড়া ইউনিয়ন পরিষদের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. ইলিয়াস ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, মানব পাচারকারী চক্রের সদস্যরা সাগর পথে মালয়েশিয়া পাঠানোর উদ্দেশ্যে কয়েকজন লোককে ওই পাহাড়ে জড়ো করে রেখেছিল। সেই সময় পাহাড়ে অবস্থান করা সন্ত্রাসীরা ওই জায়গার দিকে যেতে চাইলে মানব পাচারকারী চক্রের সদস্যদের সঙ্গে পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের মধ্যে গোলাগুলি শুরু হয়।
গোলাগুলির শব্দ শুনে পাশের একটি ঘরে থাকা এক তরুণী কী ঘটছে তা দেখতে উঁকি দিলে উভয় পক্ষের গোলাগুলির একটি গুলি এসে তার শরীরে লাগে। সঙ্গে সঙ্গে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে টেকনাফ হাসপাতালে নিয়ে যান।
টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক নওশাদ আলম কানন জানান, সন্ধ্যার পর কিছু লোকজন ১৮ বছর বয়সী এক তরুণীকে হাসপাতালে নিয়ে আসে, তবে হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তার মৃত্যু হয়। তার শরীরে দুটি গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে।
টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, হাসপাতাল থেকে এক তরুণীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
এনএন/ ১৭ জানুয়ারি ২০২৬









