জাতীয়

জোটের আসন সমঝোতার চূড়ান্ত ঘোষণা কবে, জানালেন জামায়াতের আমির

ঢাকা, ১২ জানুয়ারি – আগামীকাল বা পরশুর মধ্যেই জোটের আসন সমঝোতার চূড়ান্ত ঘোষণা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষক ও ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য ইভারস আইজাবসের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

সোমবার (১২ জানুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টায় বসুন্ধরায় জামায়াত আমিরের কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষ হওয়ার পর সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন জামায়াতের আমির।

বর্তমানে নির্বাচন কমিশনে আপিল শুনানি চলছে। ২১ জানুয়ারি থেকে নির্বাচনী প্রতীক বরাদ্দ ও প্রচার-প্রচারণা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের আসন সমঝোতার বিষয়টি চূড়ান্ত হয়নি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে জামায়াত আমির বলেন, আপনারা আগামীকালের মধ্যেই দাওয়াত পাবেন, না হলে পরশুদিন। আমরা সবাই একসঙ্গে সবার সামনে হাজির হবো।

ইইউ আগের নির্বাচনে কোনো প্রতিনিধি দল পাঠায়নি। এবার তারা প্রতিনিধি দল পাঠাবে কিনা—এ প্রশ্নের জবাবে জামায়াত আমির বলেন, এবার তারা ২০০ জন প্রতিনিধি পাঠাবে। তারা জেলা ও সিটি কর্পোরেশন এলাকাগুলো পর্যবেক্ষণ করবেন।

নির্বাচনের পর দেশের স্বার্থে খোলা মনে আলোচনায় বসতে চান জানিয়ে তিনি আবার শর্তের কথাও উল্লেখ করেন। এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেন, নিঃশর্ত কেন হবে? অন্যের দায় জোর করে আমি কেন নিজের কাঁধে নেব। আমরা দেশকে স্বচ্ছ জবাবদিহিতার দিকে এগিয়ে নিতে চাই।

প্রশাসনের অনেকেই আওয়ামী লীগের দোসর হিসেবে কাজ করেছেন—এই প্রশাসন দিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা মনে করি তারা বদলাবে। আর যদি না বদলায়, তাহলে তাদের বদলাতে বাধ্য করা হবে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষক ইভারস আইজাবসের নেতৃত্বে তিন সদস্যের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে হওয়া এই বৈঠকে জামায়াত আমিরের সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ড. যুবায়ের আহমেদ, উন্নয়ন টিম লিড দেওয়ান আলমগীর এবং জামায়াত আমিরের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মাহমুদুল হাসান।

এনএন/ ১২ জানুয়ারি ২০২৬


Back to top button
🌐 Read in Your Language