সিলেট

আলোচিত সেই অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে তদন্তে নেমেছে দুদক

সিলেট, ০২ ফেব্রুয়ারি – সরকারি নীতিমালাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে তেষট্টি বছর বয়সেও অধ্যক্ষ পদ আকড়ে ধরেছিলেন সিলেটের মইন উদ্দিন আদর্শ মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মো. গিয়াস উদ্দিন। নিজের ইচ্ছেমতো কলেজ পরিচালনা করে আসছিলেন তিনি। অবশেষে তাকে ছাড়তে হয়েছে সেই ‘মধুমাখা চেয়ার’।

এদিকে, দুর্নীতি দমন কমিশনের সিলেট জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক বরাবরে প্রভাষক মো. মাহবুবুর রউফ নয়ন-এর দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে সাবেক অধ্যক্ষ মো. গিয়াস উদ্দিনের বিরুদ্ধে তদন্তে নেমেছে দুদক।

টেন্ডার ও কোটেশন ছাড়া কলেজের আসবাবপত্র ক্রয়, নিয়ম বহির্ভুতভাবে খন্ডকালীন শিক্ষক নিয়োগ বাণিজ্য, কলেজ তহবিলের টাকা আত্মসাৎ, স্বজনপ্রীতিসহ জ্ঞাত আয় বহির্ভুত স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ অর্জনের বিষয় উল্লেখ করে প্রভাষক মো. মাহবুবুর রউফ নয়ন গত বছরের ৫ জানুয়ারি দুর্নীতি দমন কমিশনের সিলেট জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক বরাবরে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগটি পেয়ে তা আমলে নিয়ে এ বিষয়ে তদন্ত করতে গত বছরের ২৬ নভেম্বর সিলেট জেলা প্রশাসকের কাছে চিঠি দেয় দুদক।

আরও পড়ুন : সুনামগঞ্জে গাছে বেঁধে সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনায় আটক ৪

এ নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে সিলেট জেলা প্রশাসন এম কাজী এমদাদুল হক অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আ ন ম বদরুদ্দোজাকে বিষয়টির তদন্তভার ন্যস্ত করেন। পরে ২২ ডিসেম্বর সিলেট জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে উভয়পক্ষের উপস্থিতিতে একটি শুনানি হয়। সিলেট জেলা প্রশাসক কার্যালয় থেকে শীঘ্রই এ বিষয়ে প্রতিবেদন দুদকের কাছে প্রেরণ করা হবে বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে সিলেট অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আ ন ম বদরুদ্দোজা বলেন, এ বিষয়ে তদন্ত হচ্ছে। খুব দ্রুত আমরা প্রতিবেদন দুদক বরাবরে পাঠিয়ে দেবো।

এর আগে সিলেট নগরীর শামীমাবাদে অবস্থিত মইন উদ্দিন আদর্শ মহিলা কলেজের সেই ‘আলোচিত’ অধ্যক্ষ মো. গিয়াস উদ্দিনের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও জাল-জালিয়াতি মামলা দায়ের করেন কলেজের ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক মো. মাহবুবুর রউফ। সেটি তদন্ত করছে সিলেট জেলা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ।

সূত্র : সিলেটভিউ২৪
এন এইচ, ০২ ফেব্রুয়ারি

Back to top button