নোয়াখালী

নোয়াখালী আওয়ামী লীগ সভাপতির বাড়িতে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ

নোয়াখালী, ১১ মে – নোয়াখালীতে জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল ওয়াদুদ ওরফে পিন্টুর বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। গত বছরের ৫ আগস্ট ক্ষমতার পটপরিবর্তনের পর থেকে আবদুল ওয়াদুদ পিন্টু আত্মগোপনে রয়েছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ৭০-৮০টি মোটরসাইকেলে একদল তরুণ এসে শহরের জয়কৃষ্ণপুর গ্রামে অবস্থিত বাড়িটিতে হামলা-ভাঙচুরের ঘটনা ঘটিয়েছেন।

পিন্টুর পরিবারের সদস্যরা জানান, রাত সাড়ে ১১টার দিকে ৭০-৮০টি মোটরসাইকেলে চড়ে লোকজন তাদের বাড়িতে ঢুকে পড়ে। প্রতিটি মোটরসাইকেলে দুই-তিনজন করে লোক ছিল। কিছু বুঝে ওঠার আগে তারা বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর শুরু করে।

পিন্টুর স্ত্রী সাবরিনা মাহজাবিন জয়ন্তী বলেন, হামলাকারীরা বাড়ির নিচতলা ও দ্বিতীয় তলায় প্রতিটি কক্ষে হামলা-ভাঙচুর করেছে। তারা মূল্যবান মালপত্র লুট করে নিয়ে গেছে। বাড়ির সামনে রাখা তিনটি গাড়িও ভাঙচুর করা হয়েছে। এ সময় তাঁদের বাড়ির ভাড়াটেদের ঘরেও হামলা চালানো হয়। তবে হামলাকারীদের কাউকে তিনি চিনতে পারেননি।

আত্মগোপনে থাকা আবদুল ওয়াদুদ হোয়াটসঅ্যাপে কল দিয়ে একটি গণমাধ্যমকে বলেন, এভাবে কারও বাড়িঘরে হামলা-ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগের রাজনীতি তিনি কখনো করেননি। ঘরের ভেতর আগুন দেওয়ায় তার স্ত্রী ও দুই মেয়ের জীবন শঙ্কায় ছিলেন। এ ঘটনায় তার পরিবার আইনের আশ্রয় নেবে।

সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, রাতে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার পর ছাত্র-জনতা শহরে আনন্দমিছিল করেছেন। একই সময় অন্য একটি অংশ আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল ওয়াদুদের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর চালান। হামলাকারীরা বাড়ির নিচতলায় সোফায় আগুন দিয়েছিলেন। তবে সেটি বাড়ির লোকজন নিভিয়ে ফেলেন।

ওসি বলেন, ঘটনার বিষয়ে কেউ লিখিত কোনো অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সূত্র: ইত্তেফাক
আইএ/ ১১ মে ২০২৫


Back to top button
🌐 Read in Your Language