দক্ষিণ এশিয়া

সংঘাত নিয়ে মিয়ানমারের মতই উদ্বিগ্ন ভারত

নয়াদিল্লী, ০১ ফেব্রুয়ারি – মিয়ানমারে গণতন্ত্রপন্থী নেত্রী অং সান সু চিকে গ্রেপ্তারের পর সেনাবাহিনীর ক্ষমতা গ্রহণের বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারত।

সোমবার এ ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, আইনের শাসন এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অবশ্যই বহাল থাকতে হবে।

মিয়ানমারের সেনাবাহিনী সোমবার দেশটিতে এক বছরের জন্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে। সেই সঙ্গে একজন জেনারেলকে ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে।

অং সান সু চি, মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট ও আরও কয়েকজন মন্ত্রীকে আটকের পর এই ঘোষণা দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন : জনগণের প্রশ্নের সরাসরি জবাব দেবেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসির (এনএলডি) নেত্রী সু চির বিরুদ্ধে অভ্যুত্থানের পর সেনাবাহিনী কর্তৃক ক্ষমতা গ্রহণের ব্যাপারটি তারা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

এতে বলা হয়, মিয়ানমারে কী হচ্ছে তা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে আমরা খেয়াল রাখছি। মিয়ানমারে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে ভারত সবসময়ই সমর্থন দিয়ে আসছে। আমরা এখন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রেখেছি।

গত বছর অনুষ্ঠিত নির্বাচনকে ঘিরে মিয়ানমারের বেসামরিক সরকার ও প্রভাবশালী সামরিক বাহিনীর মধ্যে কয়েকদিন ধরে দ্বন্দ্ব ও উত্তেজনা চলছিল।

এরই এক পর্যায়ে সোমবার সেনাবাহিনী দেশটিতে জরুরি অবস্থা জারি করে। সামরিক বাহিনী পরিচালিত টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক ভিডিও ভাষণে বলা হয়েছে, সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান সিনিয়র জেনারেল মিং অং হ্লাইংয়ের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করা হয়েছে।

সূত্র : সমকাল
এন এইচ, ০১ ফেব্রুয়ারি

Back to top button