ক্রিকেট

হাসপাতাল ছাড়লেন সৌরভ

কলকাতা, ৩১ জানুয়ারি – হৃদযন্ত্রের তিন তিনটি স্টেন্ট বসানোর পর দিনই বেশ সুস্থ ভারতের সাবেক অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলী। যে কারণে তাকে ছাড়পত্র দিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তিন দিন চিকিৎসার পর হাসপাতাল ছাড়লেন বিসিসিআই সভাপতি।

রোববার বেলা পৌনে ১১টায় হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন সৌরভ। নিজেই হেঁটে গাড়িতে ওঠেন। হাসপাতাল থেকে বাড়ির ফেরেন কলকাতার মহারাজ।

সৌরভের হাসপাতাল ছাড়ার বিষয়ে তার চিকিৎসক সপ্তর্ষি বসু জানান, ‘তার শারীরিক অবস্থা বেশ ভালো। চিকিৎসায় দ্রুত সাড়া দিচ্ছেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডপ্রধান। তাই দ্রুত ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো। এ নিয়ে ঘাবড়ানোর কিছু নেই। আগামী কয়েক দিন বিশ্রামের পরেই সৌরভ আবার আগের মতো স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারবেন।’

এর আগে অবশ্য সৌরভের চিকিৎসকরা জানিয়েছিলেন, শনিবারই সৌরভ হাসপাতাল ছেড়ে যেতে পারবেন, যদি সব ধরনের রিপোর্ট স্বাভাবিক আসে।

আরও পড়ুন : ভারতের বিরুদ্ধে দল ঘোষণা করল ইংল্যান্ড

কিন্তু সেদিন তেমনটি না হওয়ায় রোববার পরিস্থিতি বুঝে তার চিকিৎসকরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

সৌরভের সুস্থতার বিষয়ে বৃহস্পতিবার বিবৃতি দিয়েছিলেন তার চিকিৎসক উপমহাদেশের প্রখ্যাত কার্ডিলজিস্ট ডা. দেবী শেঠি।

বৃহস্পতিবার বিকালে এনজিওপ্লাস্টির পর সৌরভের হার্টে দুটি স্টেন্ট বসানো হয়। প্রথমে একটির কথা জানানো হলেও পরে দুটি স্টেন্ট বসানোর সিদ্ধান্ত দেন দেবী শেঠি। দেবী শেঠি ও মুম্বাইয়ের বিশেষজ্ঞ চিকিত্সক অশ্বিন মেহতার তত্ত্বাবধানে অস্ত্রোপচারের পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

হৃদযন্ত্রের অস্ত্রপচার শেষে দেবী শেঠি জানিয়েছিলেন, সুস্থ আছেন সৌরভ। শিগগিরই বাড়ি ফিরতে পারবেন। তবে আগামী এক বছর কড়া ডোজের ওষুধ সেবন করতে হবে তাকে। মেনে চলতে হবে সব নিয়মকানুন।

গত ২৭ জানুয়ারি বুকে ব্যথা অনুভব করায় কলকাতার অ্যাপোলো গ্লেনিগ্রেস হাসপাতালে ভর্তি করা হয় সৌরভকে। ২৮ জানুয়ারি দুটো স্টেন্ট বসানো হয় তার শরীরে। এর পর সিসিইউতে অক্সিজেন সাপোর্টে রাখা হয় তাকে। কিন্তু দ্রুত সেরে ওঠায় তাকে কেবিনে স্থানান্তরিত করা হয়।

গত ২ জানুয়ারি শরীরচর্চার সময় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি। কলকাতার বেসরকারি উডল্যান্ডস হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হয়েছিল। হৃদযন্ত্রে ব্লক ধরা পড়ায় একটি স্টেন বসানো হয়। পরে ডা. দেবী শেঠি ও অন্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে ৭ জানুয়ারি তাকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

সূত্র : যুগান্তর
এন এইচ, ৩১ জানুয়ারি

Back to top button