শিক্ষা

শিক্ষক-শিক্ষার্থী বহিষ্কারে ৬ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিবাদ

খুলনা, ২৯ জানুয়ারি – খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষক ও দুই ছাত্রের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের ছয়টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে একযোগে প্রতিবাদী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে প্রগতিশীল শিক্ষকদের সংগঠন ‘বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক।’

বৃহস্পতিবার দুপুরে নেটওয়ার্কের উদ্যোগে খুলনা বিশ্ববিদ্যালযের প্রধান ফটক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্য, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিফলক চত্ত্বর, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার এবং গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে এ কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষকরা।

খুবি: খুবি প্রতিনিধি জানান, তিন শিক্ষককে বরখাস্ত ও অপসারণের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্কের ব্যানারে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বৃহস্পতিবার বেলা ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আটজন শিক্ষক প্রশাসনিক ভবনের সামনে কিছু সময় ব্যানার নিয়ে অবস্থানের পর ক্যাম্পাসের মুক্তমঞ্চে বক্তব্য রাখেন।

সাজাপ্রাপ্ত শিক্ষকদের মধ্যে বহিষ্কৃত হয়েছেন বাংলা ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক আবুল ফজল। অপসারিত হয়েছেন বাংলা ডিসিপ্লিনের প্রভাষক শাকিলা আলম এবং ইতিহাস ও সভ্যতা ডিসিপ্লিনের শিক্ষক হৈমন্তী শুক্লা কাবেরী।

আরও পড়ুন : এইচএসসির ফলপ্রার্থীদের জন্য ৪ নির্দেশনা দিল শিক্ষা বোর্ড

গত বছর শিক্ষার্থীদের পাঁচ দফা দাবিতে আন্দোলন চলাকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে নানান মিথ্যা তথ্য প্রদান, কুৎসা রটানো ও উস্কানিমূলক তথ্য প্রচার, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সহমত পোষণ করার জন্য অন্যান্য শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কাঠামো থাকা সত্ত্বেও নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করার অভিযোগে তাদের শাস্তি দেওয়া হয়। সিন্ডিকেটের ২১১তম সভায় এ চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ সিদ্ধান্ত নেওয়া সিন্ডিকেট অবৈধ বলে অভিযোগ উঠেছে। এমন অবস্থায় মেয়াদ শেষ হওয়ায় শুক্রবার খুবি থেকে বিদায় নিচ্ছেন উপাচার্য অধ্যাপক ফায়েক উজ্জামান।

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক আয়োজিত সমাবেশে উপাচার্যকে উদ্দেশ্য করে বক্তারা বলেন, ‘আপনি বলে থাকেন সব সিদ্ধান্ত সিন্ডিকেট নিয়ে থাকে, তাহলে আমরা আপনাকে আহ্বান করব একজন সাধারণ শিক্ষক হিসেবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ান, শিক্ষকদের মানহানির প্রতিবাদ করুন। আমরা আপনাকে শ্রদ্ধা জানাব।

সমাবেশে বক্তাদের মধ্যে ড. আব্দুলাহ হারুন চৌধুরী বলেন, বিনা ভোটে নির্বাচিত শিক্ষক সমিতি আজ উপাচার্যকে বিদায়ী সংবর্ধনা দিতে ব্যস্ত। সাধারণ শিক্ষকদের ব্যাপারে তাদের কোনো মাথাব্যথা নেই।

অধ্যাপক ড. দিলীপ কুমার দত্ত বলেন, আমরা জানতাম কাক কাকের মাংস খায় না। কিন্তু বর্তমানে এ চর্চাটা খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়মিত হচ্ছে। এ প্রতিবাদ সমাবেশের মাধ্যমে আমি প্রশাসনকে জানাতে চাই, যদি অবিলম্বে এ বহিষ্কারাদেশ ও অপসারণের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার না করা হয় তাহলে আমাদের আন্দোলন চলবে এবং পরবর্তীতে আরো কর্মসূচি আসবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন এনভারোমেন্টাল সায়েন্স ডিসিপ্লিনের ড. আব্দুলাহ হারুন চৌধুরী এবং একই ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক ড. দিলীপ কুমার দত্ত, স্থাপত্য ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক আফরোজা পারভীন, ইংরেজি ডিসিপ্লিনের সহযোগী অধ্যাপক মো. নুরুজ্জামান, অর্থনীতি ডিসিপ্লিনের সহযোগী অধ্যাপক ফিরোজ আহমেদ, একই ডিসিপ্লিনের সহকারী অধ্যাপক তাসনিম মুরাদ মামুন, বাংলা ডিসিপ্লিনের সহকারী অধ্যাপক ইমরান কামাল এবং মৌমিতা রায়।

আরও পড়ুন : নোবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা আংশিক মেস ভাড়া পেলেন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে

এছাড়া শিক্ষকদের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে দু’জন আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন।

ঢাবি: রাজু ভাস্কর্যে ঢাবি সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সামিনা লুৎফার সঞ্চালনায় মানববন্ধনে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তানজিম উদ্দিন খান, ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক তাসনীম সিরাজ মাহবুব, বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আজম এবং অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রশাদ ফরিদী।

এছাড়া মানববন্ধনে সংহতি জানিয়ে বক্তব্যে দেন- প্রগতিশীল ছাত্রজোটের সমন্বয়ক নাসির উদ্দিন প্রিন্স, ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি ফয়েজ উল্লাহ, ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি গোলাম মোস্তফা, সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ শাহরিয়ার, গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের সভাপতি আরিফ মঈনুদ্দীন, বাংলাদেশ বিপ্লবী ছাত্রমৈত্রীর সাধারণ সম্পাদক দিলিপ রায়, ছাত্রলীগের (বিসিএল) সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান রাহাত, বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক অমল ত্রিপুরা এবং ঢাবি গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী আদনান তূর্য।

মানববন্ধনে অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় কী একটি কারাগার? এ বিশ্ববিদ্যালয় কী একটি ক্যান্টনমেন্ট? উপাচার্য সামরিক বাহিনীর জেনারেল নাকি? যে মানুষ কথা বলতে পারবে না, আন্দোলন করতে পারবে না?

অধ্যাপক তানজীমউদ্দিন খান বলেন, সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে যারা শাসক আছেন তারা নিজেদের আমলা মনে করছেন। যারা রাষ্ট্রের শাসক তারা আমলাকে নিয়ন্ত্রণ করছেন সরকারি চাকরিবিধি দিয়ে। তার একটা রূপ আমরা দেখতে পেলাম, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের আচরণের মধ্য দিয়ে।

মানববন্ধন থেকে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বহিষ্কারাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার করাসহ তিন দফা দাবি উত্থাপন করা হয়। তাদের অন্য দাবিগুলো হলো- বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান সিন্ডিকেটকে অবৈধ ঘোষণা করে সিন্ডিকেটের নেওয়া সব সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তদন্ত করা এবং ‘শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মানবাধিকার লঙ্ঘন’ করায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করা। এ সময় দাবি মেনে নিতে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময় বেঁধে দেন তারা।

জাবি: জাবি প্রতিনিধি জানান, বেলা সাড়ে ১২টায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের পাদদেশে ‘নিপীড়নের বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর’ ব্যানারে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন করেন। এ সময় ছাত্র ইউনিয়ন বিশ্ববিদ্যালয় সংসদ, সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট এবং জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোটের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।

মানববন্ধনে অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন চায় পুলিশ, আমলা, ব্যবসায়ী, ঠিকাদার শ্রেণীর লোকদের প্রশাসনে বসিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি রোবটে পরিণত করতে। তারা চায় না কেউ মুক্তচিন্তা, সৃজনশীল চিন্তা, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করুক। তারা চায় এমন শিক্ষক, যারা শিক্ষাচর্চার সঙ্গে থাকবে না, তারা হবে প্রশাসনের অনুগত।’

নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সাঈদ ফেরদৌসের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- অধ্যাপক সাঈদ ফেরদৌস, অধ্যাপক মোহাম্মদ মাফরুহী সাত্তার, অধ্যাপক মানস চৌধুরী, অধ্যাপক মাহমুদুল হাসান সুমন, অধ্যাপক মোহাম্মদ এমদাদুল হুদা, অধ্যাপক আবদুল জব্বার হাওলাদার, অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসান, অধ্যাপক মো. জামাল উদ্দিন, সহযোগী অধ্যাপক খন্দকার হাসান মাহমুদ ও সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক প্রমুখ।

রাবি: রাবি প্রতিনিধি জানান, খুবির তিন শিক্ষক ও দুই শিক্ষার্থীর শাস্তি প্রত্যাহার ও প্রশাসনের দুর্নীতি তদন্তের দাবিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিফলক চত্বরে ‘শিক্ষক-শিক্ষার্থী-অভিভাবক’ ব্যানারে প্রতিবাদ সমাবেশ পালিত হয়। কর্মসূচির আয়োজন করে ‘বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক’।

আরও পড়ুন : এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ হতে পারে চলতি মাসের শেষের দিন

একই দাবিতে বেলা ১১টায় মুখে কালোকাপড় বেঁধে ক্যাম্পাসে মৌন মিছিল করেন শিক্ষার্থীরা। পরে তারা সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন।

কর্মসূচিতে বক্তারা আগামী সাত ফেব্রুয়ারীর মধ্যে খুবির শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি জানান। একই সঙ্গে খুবি’র সিন্ডিকেটকে অবৈধ দাবি করে দ্রুত বাতিলের দাবি জানান। খুবির উপাচার্যকে উদ্ভূত সমস্যা সমাধানের আগ পর্যন্ত কোনো প্রকার ছাড়পত্র না দেওয়ার আহ্বানও জানান তারা।

রাবির সহযোগী অধ্যাপক আমিরুল ইসলাম কনকের সঞ্চালনায় নৃবিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক বখতিয়ার আহমেদ বলেন, পৃথিবীর অন্যান্য দেশের বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস এক না। পৃথিবীর অন্যান্য দেশে জাতিগত উত্থানের পরেই তারা বিশ্ববিদ্যালয় করেছে। কিন্তু আমরা বিশ্ববিদ্যালয় দিয়েই জাতি গড়েছি।

কর্মসূচিতে আরও বক্তব্য দেন- গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল মামুন, সহযোগী অধ্যাপক সেলিম রেজা নিউটন, সহযোগী অধ্যাপক কাজী মামুন হায়দার প্রমুখ।

চবি: চবি সংবাদদাতা জানান, একই দাবিতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। শহীদ মিনার চত্ত্বরে এই প্রতিবাদ সমাবেশ করা হয়।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, আমরা গত ২৫ তারিখ এই চত্বরেই খুবি প্রশাসনের অন্যায্য সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করার আগ পর্যন্ত লাগাতার আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছিলাম। দু’জন শিক্ষার্থীর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের প্রতিশ্রুতি পেলেও তিন জন শিক্ষকের বহিষ্কার-অপসারণ বাতিল করা হয়নি।

মানববন্ধনে বক্তব্যে ‘বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্কের সদস্য ও সমাজতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষক মাইদুল ইসলাম বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় হলো মুক্তচিন্তার আধার। মুক্তচিন্তা ছাড়া কোনো সমাজ বিকশিত হতে পারে না। অথচ প্রতিবাদী শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ওপর খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে যেভাবে চড়াও হয়েছে, তা অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক। তাই খুবি প্রশাসনকে এই অন্যায্য সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার আহ্বান জানাই।’

অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী দেওয়ান তাহমিদের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন- সমাজতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী হদ্মামিউ মারমা, ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী শাহ মোহাম্মদ শিহাব, পালি বিভাগের সোহেল চাকমা, নাট্যকলা বিভাগের ঋজু লক্ষ্মী অবরোধ, লোকপ্রশাসন বিভাগের সুকি কুমার তঞ্চঙ্গ্যা ও রাজনৈতিক কর্মী দীপা মজুমদার প্রমুখ।

বশেমুরবিপ্রবি: মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ পালন করেছে গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) সাধারণ শিক্ষক-শিক্ষার্থীরাও।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে শতাধিক শিক্ষক-শিক্ষার্থীর উপস্থিতিতে এ মানববন্ধনে ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক সুকান্ত বিশ্বাসের সঞ্চালনায় শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বক্তব্য রাখেন।

খুবির শিক্ষক-শিক্ষার্থী বহিষ্কারের ঘটনায় বশেমুরবিপ্রবি শিক্ষক সমিতিও তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে খুবি প্রশাসনকে অন্যায্য সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার অনুরোধ জানিয়েছে।

সূত্র : সমকাল
এন এইচ, ২৯ জানুয়ারি

Back to top button