ক্রিকেট

সাকিব ভাই কিছু বলার আগেই সেটা করার চেষ্টা করব : তাইজুল

ঢাকা, ২৮ জানুয়ারি – সাদা পোশাকের ক্রিকেটে টিম বাংলাদেশের বোলিংয়ের অন্যতম নির্ভরতা, বড় অস্ত্র তিনি। এ মুহূর্তে টেস্টে সাকিব আল হাসানের (২১০ উইকেট) পর বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ টেস্ট উইকেটশিকারি (১১৪ উইকেট) তাইজুল ইসলাম। টাইগার বোলারদের মধ্যে টেস্টে এক ইনিংসে সেরা বোলিং ফিগারটিও (৩৯ রানে ৮ উইকেট) তাইজুলের।

দেশের হয়ে গতবছর ফেব্রুয়ারিতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে শেষ টেস্ট ম্যাচটিও খেলেছেন তাইজুল। তাতে দলের অন্যতম সফল বোলারও ছিলেন তিনি। প্রথম ইনিংসে ৯০ রানের ২ আর দ্বিতীয় ইনিংসে ৭৮ রানে ৪টি সহ মোট ৬ উইকেটশিকারি তাইজুল।

খুব স্বাভাবিকভাবেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে তাইজুলের বল হাতে জ্বলে ওঠার ওপর অনেকটাই নির্ভর করছে মুমিনুল বাহিনীর বোলিং সাফল্য। কী ভাবছেন তাইজুল? নিজেকে কিভাবে তৈরি করেছেন? আজ (বৃহস্পতিবার) নিজের ভাবনার কথা জানিয়েছেন ২৮ বছর বয়সী এ স্পিনার।

তাইজুল মানছেন একবছর পর দেশের মাটিতে খেলা, এ দীর্ঘসময় পর মাঠে নেমে স্বাভাবিক পারফরম করা সহজ নয়। তবে যেহেতু অনেকদিন ধরে অনুশীলনের ভেতরে আছেন, তাই তার ‘কামব্যাক’ করায় সমস্যা হবে না।

আরও পড়ুন: ফেব্রুয়ারির মধ্যে স্থানীয় ক্রিকেটারদের টিকা দেবে বিসিবি

তার কথা, ‘অনেকদিন পর দেশের মাটিতে খেলা। সবকিছু হয়তো এতটা সহজ হবে না। কিন্তু ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি বেশ কিছুদিন ধরে অনুশীলনের মধ্যে আছি এবং ওয়ানডে দলের সাথেও ছিলাম। ওখানে থাকার কারণে আমার অনুশীলনটা বেশি হয়েছে। আমাদের কোয়ালিটিফুল প্র্যাকটিস সেশন হচ্ছে, আশা করি কামব্যাক করতে বড় ধরণের কোন অসুবিধা হবে না।’

খেলা থেকে বাইরে থাকলেও তাইজুল অনুশীলন করেছেন প্রচুর। নিজের বোলিং নিয়ে কাজও করেছেন। তারপরও তার অনুভব, ‘টেস্ট ক্রিকেটে ভালো জায়গায় বোলিং করাটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আমি জায়গাটা মেইনটেইন করব। জায়গা মেইনটেইন করে ওখান থেকে ভেরিয়েশনগুলো দিয়ে ভালো কিছু করার চেষ্টা করব।’

সিনিয়র বোলিং পার্টনার সাকিব আল হাসান তাইজুলের বিরাট শক্তি, দারুণ অনুপ্রেরণা। তার ধারণা, সাকিব নিজ দলের সব স্পিনারদের জন্যই বড় অনুপ্রেরণা। তাদের সাহায্য সহযোগিতা করার কাজটিও বড় ভাইয়ের মত করেন সাকিব।

তাই তো তাইজুলের মুখে এমন কথা, ‘আসলে সাকিব ভাই যখন আমাদের সঙ্গে থাকে বিশেষ করে স্পিনারদের অনেক সাহায্য করে। ব্যাটসম্যান কোন মুভমেন্টে থাকে, সাকিব ভাই আগে থেকে বোঝে আরকি। সেটা আমাদের সঙ্গে শেয়ার করে। আমি, মিরাজ, নাঈম ও সাকিব ভাইয়ের একটা ভালো জুটি হবে ইনশাআল্লাহ।’

‘আমরা ভালো করার চেষ্টা করব। আমি ব্যক্তিগতভাবে বলব যে, আমারও ৬-৭ বছর হয়ে গেছে জাতীয় দলে খেলার। সাকিব ভাইয়ের কাছে হয়তো অনেক কিছু নিতে পেরেছি, তো সেগুলো চেষ্টা করব। সাকিব ভাই কোন কিছু বলার আগেই আমি সেগুলো করার চেষ্টা করব।’

সূত্র : জাগো নিউজ
এন এইচ, ২৮ জানুয়ারি

Back to top button