জাতীয়

দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় বাংলাদেশের আরো অবনতি

ঢাকা, ২৮ জানুয়ারি – দুর্নীতির ধারণা সূচকে আগের বছরের তুলনায় আরো দুই ধাপ নিচে নেমে এসেছে বাংলাদেশ।

বিবিসি বাংলা জানায়, বার্লিনভিত্তিক ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (টিআই) কর্তৃক পরিচালিত ‘দুর্নীতির ধারণা সূচক (সিপিআই) ২০২০’-এর বৈশ্বিক প্রকাশ উপলক্ষে এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য তুলে ধরেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান।

সিপিআই ২০২০ অনুযায়ী ১৮০টি দেশের মধ্যে তালিকার নিচের দিক থেকে বাংলাদেশ ১২তম অবস্থানে আছে। যেটা সিপিআই-২০১৯ এর তুলনায় দুই ধাপ নিচে নেমেছে বলে উল্লেখ করা হয়।

১০০ এর মধ্যে ৪৩ স্কোরকে গড় স্কোর হিসেবে বিবেচনায় সিপিআই ২০২০ অনুযায়ী বাংলাদেশের স্কোর ২৬। যা সিপিআই ২০১৮ ও ২০১৯ এর তুলনায় অপরিবর্তিত রয়েছে।

এছাড়া সর্বোচ্চ থেকে গণনা অনুযায়ী বাংলাদেশের অবস্থান ১৪৬তম। এ ক্ষেত্রেও ২০১৯ এর তুলনায় বাংলাদেশের অবস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে।

আরও পড়ুন : প্রথম টিকা নিয়ে যা জানালেন রুনু

দুর্নীতির ধারণা সূচকে বাংলাদেশের এই অবস্থান হতাশাব্যাঞ্জক বলে উল্লেখ করেছেন ইফতেখারুজ্জামান। এই স্কোর অনুযায়ী বাংলাদেশে দুর্নীতির ব্যাপকতা এখনো উদ্বেগজনক বলে তিনি জানান।

এ ছাড়া এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের ৩১টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ চতুর্থ সর্বনিম্ন অবস্থানে এবং দক্ষিণ এশিয়ার ৮টি দেশের মধ্যে একমাত্র আফগানিস্তানই বাংলাদেশের চেয়ে বেশি দুর্নীতিগ্রস্ত।

সূচক অনুযায়ী, দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে কম দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ ভুটান। দেশটির স্কোর ৬৮। ১৮০টি দেশের মধ্যে তালিকার ওপর থেকে ২৪তম অবস্থানে আছে ভুটান।

তৃতীয় অবস্থানে থাকা ভারতের স্কোর ৪০। তালিকার ওপর থেকে দেশটির অবস্থান ৮৬তম। ২০১৯ সালের তুলনায় ভারতের অবস্থান ৬ ধাপ এগিয়েছে।

অন্যদিকে, ৩১ স্কোর নিয়ে বাংলাদেশের ঠিক আগেই রয়েছে পাকিস্তান। দেশটির অবস্থান ২০১৯ সালের চাইতে এক ধাপ পিছিয়েছে। তালিকার ওপর থেকে দেশটির অবস্থান ১২৪ তম।

মূলত দক্ষিণ এশিয়ার ৮টি দেশের মধ্যে শুধু ভুটান ও মালদ্বীপ গড় স্কোর করেছে। দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে বেশি অগ্রগতি অর্জন করেছে মালদ্বীপ। দেশটি ৫৫ ধাপ উন্নতি করেছে। ১৩০তম অবস্থান থেকে উঠে এসেছে ৭৫তম অবস্থানে।

সূত্র: দেশ রূপান্তর
এন এ/ ২৮ জানুয়ারি

Back to top button