কুমিল্লা

জিল্লুর হত্যা মামলায় কাউন্সিলর কারাগারে

কুমিল্লা, ২৮ জানুয়ারি – কুমিল্লায় যুবলীগ নেতা জিল্লুর রহমান জিলানী হত্যা মামলায় গ্রেফতার হওয়া কাউন্সিলর ও মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা আবদুস সাত্তারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিনের রিমান্ড চেয়েছে পিবিআই। রিমান্ডের বিষয়ে শুনানি পরবর্তীতে অনুষ্ঠিত হবে। বুধবার আদালতের মাধ্যমে তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।

এর আগে মঙ্গলবার রাতে ঢাকা শাহবাগ এলাকা থেকে জিল্লুর হত্যা মামলার এজাহার নামীয় ২ নং আসামি কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ২৬ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাত্তারকে গ্রেফতার করে পিবিআই। তাকে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন হত্যাকাণ্ডের অন্যতম পরিকল্পনাকারী হিসেবে উল্লেখ করে পূর্বে গ্রেফতার হওয়া আসামি আনোয়ার আদালতে যে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে তা যাচাই-বাছাই করে দেখছে পিবিআই।

বুধবার দুপুরে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) কুমিল্লার কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পিবিআই কুমিল্লার পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান জানান, পূর্ব শত্রুতা ও রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের সূত্র ধরে গত ১১ নভেম্বর কাউন্সিলর আবদুস সাত্তার ও কাউন্সিলর আবুল হাসানের নেতৃত্বে মোটর সাইকেলযোগে সন্ত্রাসীরা জিল্লুর রহমান জিলানীকে কুপিয়ে হত্যা করে। মঙ্গলবার বিকালে মামলার ২ নং আসামি আবদুস সাত্তারকে ঢাকা শাহবাগ থানা এলাকা থেকে গ্রেফতারের পর কুমিল্লা কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে কাউন্সিলর আবদুস ছাত্তার জিলানী হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে। তদন্তের স্বার্থে তা গোপন রাখা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: ভোটের আগেই পৌরসভা নির্বাচনে সবাই পাস

সংবাদ সম্মেলনে পিবিআই কুমিল্লার পরিদর্শক মতিউর রহমান, পরিদর্শক বিপুল চন্দ্র দেবনাথসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান জানান, আসামি কাউন্সিলর আবদুস সাত্তার দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন স্থানে পলাতক ছিলেন। একেক সময় তিনি একেক স্থানে অবস্থান করেন। কয়েক দিন ধরে তিনি ঢাকার শাহবাগ থানা এলাকায় অবস্থান করছেন গোপন সূত্রে খবর পেয়ে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় বিকালে তাকে গ্রেফতার করার পর রাতে কুমিল্লায় নিয়ে আসা হয়। হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানিয়ে বুধবার (২৭ জানুয়ারি) আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

এর আগে আব্দুল কাদের নামে এক আসামিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গত ৩০ নভেম্বর থেকে মামলাটি তদন্ত করছে পিবিআই। দায়িত্ব পাওয়ার পর নুরুল ইসলাম নামের অপর একজনকে গ্রেফতার করে পিবিআই। এরই মধ্যে এ মামলায় এজাহার নামীয় ১৫ জন উচ্চ আদালত থেকে ৬ সপ্তাহের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন জামিন লাভ করেছেন।

সূত্র : বাংলা ট্রিবিউন
এন এইচ, ২৮ জানুয়ারি

Back to top button