ঢালিউড

আয়কর প্রসঙ্গে শাকিব খানের মন্তব্য

সুধাময় সরকার

ঢাকা, ২৮ জানুয়ারি – ২০১৬ থেকে ২০২০ সাল। টানা ৩ বছর সেরা করদাতা হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পাচ্ছেন শাকিব খান। অভিনয় শিল্পের সেরা করদাতা হিসেবেই তার এই ধারাবাহিক অর্জন।

২৬ জানুয়ারি ২০১৯-২০ করবর্ষের গেজেট প্রকাশ করে এনবিআর। তাতে তৃতীয়বারের মতো এই তারকার নাম পাওয়া যায়। এর আগে শাকিব খান ২০১৬-১৭ ও ২০১৮-১৯ করবর্ষে সেরা হন।

তৃতীয়বারের মতো সেরা করদাতার তালিকায় আবারও নিজের নাম দেখে মুগ্ধতা প্রকাশ করেন এই তারকা। তিনি মনে করেন, দেশের স্বার্থে ও সচেতন নাগরিক হিসেবে কর প্রদান করা দায়িত্ববোধের পরিচয়। যারা করের আওতাভুক্ত তাদের কর প্রদান করা উচিত।

তার ভাষায়, ‘দেশের বেশিরভাগ মানুষের মনে একটা ভ্রান্ত ধারণা আছে। সেটা হলো, এই সেক্টরে (সিনেমা) এসে হয়তো ভালো ক্যারিয়ার গড়া যায় না। কারণ, বিভিন্ন সময়ে শিল্পীদের সাহায্য দরকার হলে সেটা যেভাবে ফলাও করে প্রচার হয়, সাফল্যের বেলায় সেভাবে প্রচার হয় না। এজন্যই সবাই ধরে নেয় সিনেমায় যাওয়া মানে আত্মহত্যা! এটা সম্পূর্ণ ভুল প্রমাণ হয় আমাকে দিয়ে।’

আরও পড়ুন: নায়িকা তমার ‘গোপন ভিডিও’ প্রকাশের হুমকি দিলেন সাবেক স্বামী

চারবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জয়ী অভিনেতা শাকিব খান আরও বলেন, ‘অন্যান্য মাধ্যমে কাজ করে যারা সফল হয়ে ট্যাক্স দিচ্ছেন, আমি সিনেমায় পেশা গড়ে একইভাবে ট্যাক্স দিচ্ছি। এটা আমার নিজের জন্য যেমন গর্বের, তেমনি আমার সেক্টরের প্রতিটি মানুষের জন্য গর্বের। এখানেও ভালো কাজ করে প্রতিষ্ঠা পাওয়া যায় এবং সফল হওয়া সম্ভব। এতে মানুষের ভ্রান্ত ধারণা দূর হবে।’

এর আগে দুইবার সেরা করদাতার স্বীকৃতি অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে গ্রহণ করতে পারেননি শাকিব খান। এ নিয়ে রয়েছে আক্ষেপও। কারণ, দেশের বাইরে থাকায় তিনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেননি। তবে এবার সেই সুযোগটি মিস করতে চাইছেন না ঢালিউডের এই শীর্ষমুখ।

খানের ভাষ্যে, ‘এবার অবশ্যই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবো। নিজ হাতে ট্যাক্সকার্ড গ্রহণ করবো। কারণ, এটাও এক ধরনের অর্জন বা স্বীকৃতি।’

জাতীয় ট্যাক্স কার্ড নীতিমালা, ২০১০ (সংশোধিত) অনুযায়ী ২০১৯-২০ কর বছরে ১৪১টি ট্যাক্স কার্ড দেওয়ার জন্য ব্যক্তি, কোম্পানি ও অন্যান্য পর্যায়ের যোগ্য করদাতার নাম প্রকাশ করা হয়েছে। এই কর কার্ডের মেয়াদ হবে ১ বছর।

এবার শাকিব খান ছাড়াও সাংস্কৃতিক অঙ্গন থেকে সেরা করদাতার স্বীকৃতি পাচ্ছেন রাইসুল ইসলাম আসাদ, শাহীন সামাদ, মমতাজ, তাহসান খান ও বিদ্যা সিনহা মিম।

জানা যায়, কার্ড পাওয়া ব্যক্তিরা রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন সুবিধা পাবেন। তাদের জন্য বরাদ্দ রাখা হবে বিমানবন্দরে সিআইপি লাউঞ্জ, তারকা হোটেলসহ সব আবাসিক হোটেলে বুকিংয়ে অগ্রাধিকার। পাশাপাশি কর কার্ডধারী নিজে ও তার স্ত্রী বা স্বামী, নির্ভরশীল সন্তানের চিকিৎসার জন্য সরকারি হাসপাতালে কেবিন সুবিধা প্রাপ্তিতে অগ্রাধিকার থাকবে। থাকছে আকাশ, রেল ও জলপথে সরকারি যানবাহনে টিকিট প্রাপ্তিতে অগ্রাধিকার এবং জাতীয় অনুষ্ঠান, সিটি করপোরেশন ও পৌরসভাসহ স্থানীয় সরকার কর্তৃক আয়োজিত সংবর্ধনায় আমন্ত্রণ।

এন এইচ, ২৮ জানুয়ারি

Back to top button