জাতীয়

পি কে হালদারের ভুয়া চার প্রতিষ্ঠানের ৯৬০ কোটি টাকা জব্দ

ঢাকা, ১৩ জানুয়ারি- পি কে হালদারের পিপল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যানশিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড ভুয়া চার প্রতিষ্ঠানে ৩ হাজার ৯৯৩ কোটি টাকা ঋণ দেয় বলে দুর্নীতি দমন কমিশনের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে কোম্পানিগুলোর নামে থাকা ৯৬০ কোটি টাকা দুদক জব্দ করেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছেন। অন্যদিকে এসব প্রতিষ্ঠানের ১১ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হলেও তারা দুদকে হাজির হননি। গতকাল ন্যাচার এন্টারপ্রাইজের মালিক নওশেরুল ইসলাম ও তার স্ত্রী মমতাজ বেগম এবং এমটিবি মেরিন লিমিটেডের মালিক সনজিব কুমার হাওলাদারকে জিজ্ঞাসাবাদের কথা থাকলেও তারা দুদকে হাজির হননি।

পিপল লিজিংয়ের ৩ হাজার ৬০০ কোটি টাকা লোপাটের পেছনে রয়েছে পি কে হালদারের আত্মীয়স্বজনের নামে ভুয়া প্রতিষ্ঠান ও ব্যাংক হিসাব খুলে ঋণ দেওয়া। সে অর্থের খোঁজে নতুন সব তথ্য পাওয়া গেছে। পিপল লিজিংয়ের নওশেরুল ইসলাম, মমতাজ বেগম, বাসুদেব ব্যানার্জি ও পাপিয়া ব্যানার্জির নামে খোলা ভুয়া কোম্পানিকে ৩ হাজার ৯৯৩ কোটি টাকা ঋণ দেয়।

আরও পড়ুন :  মামলা আমার নামে হয়নি, ওদেরকে জিজ্ঞেস করুন: বাবুনগরী (ভিডিও)

যার মধ্যে ৯৬০ কোটি টাকা ছাড়া বাকি অর্থ এরই মধ্যে তুলে নেওয়া হয়। তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে এরই মধ্যে নওশেরুল ইসলামের কোম্পানির ৯৫২ কোটি, মমতাজ বেগমের নামের কোম্পানির হিসাবের ২.৬৯ কোটি, বাসুদেব ব্যানার্জির কোম্পানির ৪.৬৪ কোটি, পাপিয়া ব্যানার্জির নামে থাকা কোম্পানির ৬১ লাখ টাকা জব্দ করেছে দুদক। এদিকে এসব অভিযুক্তসহ দুদকের জিজ্ঞাসাবাদে হাজির হননি কোম্পানি ও অর্থ লোপাটের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অভিযুক্ত পাঁচজন। দুদকের নোটিসে পিপল লিজিংসহ অর্থ পাচারে সহযোগিতায় ন্যাচার এন্টারপ্রাইজ ও এমটিবি মেরিন লিমিটেডের বেশ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়।

এ ছাড়া প্রথম দিনের জিজ্ঞাসাবাদে অনুপস্থিত ছিলেন পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যানশিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেডের সাবেক চেয়ারম্যান মতিউর রহমান ও সাবেক পরিচালক আরেফিন সামসুল আলামিনও। দুদকসূত্র জানান, পিপল লিজিং ফিন্যানশিয়াল অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেডের সিইওসহ এসব প্রতিষ্ঠানের আরও কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদের কথা রয়েছে।

সূত্র: বিডি প্রতিদিন

আর/০৮:১৪/১৩ জানুয়ারি

Back to top button