
ওয়াশিংটন, ০৭ জানুয়ারি- ওয়াশিংটন ডিসিতে ক্যাপিটল ভবনে হামলার দিনটি কালো দিন হিসেবে লিপিবদ্ধ হয়ে থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের রিপাবলিকান পার্টির ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স।
বুধবার হামলার ঘটনার সময় ক্যপিটল ভবনেই ছিলেন পেন্স। ঘটনার পর দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘যারা ক্যাপিটলে বিপর্যয় সৃষ্টি করেছেন, আপনারা জয়ী হতে পারেননি। সহিংসতা সৃষ্টিকারীরা কখনো বিজয়ী হন না। স্বাধীনতা বিজয়ী হয়, এটা এখনো জনগণের হাউজ।’
মাইক পেন্স আরও বলেন, ‘আমরা যেহেতু আবার এই চেম্বার শুরু করছি, বিশ্ব আবার একবার দেখবে, অভূতপূর্ব সহিংসতা এবং ভাংচুরের মধ্যেও আমাদের গণতন্ত্রের দৃঢ়তা এবং শক্তি কতটা মজবুত।’
আরো পড়ুন: প্রেসিডেন্ট হিসেবে বাইডেনকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি
সহিংসতার পর সিনেটে অধিবেশন শুরু হওয়ার পর বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাপিটলে আজকের (বুধবার) দিনটি একটি কালো দিন হিসেবে লিপিবদ্ধ থাকবে।’
এর আগে ভাইস-প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র বলেন, হামলার সময়ও ক্যাপিটল হিল ছেড়ে যাননি পেন্স। সিনেটের সভাপতির দায়িত্ব পালন করা পেন্স সব সময়ই কংগ্রেসের নেতৃত্ব, পুলিশ এবং বিচার ও প্রতিরক্ষা বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছেন, যাতে ক্যাপিটলকে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে কংগ্রেস আবার শুরু করা যায়।’
এদিকে হামলার ঘটনাটিকে ‘যুক্তরাষ্ট্রের গণতন্ত্র নজিরবিহীন আক্রমণের মুখে’ বলে মন্তব্য করেন যুক্তরাষ্ট্রের নব নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে ক্যাপিটল ভবনে হামলার ঘটনার ব্যাপারে তিনি বলেন, ক্যাপিটলে হামলার দৃশ্যগুলো সত্যিকারের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নয়। আমরা আধুনিক যুগে যা কিছু দেখেছি তার বিপরীতে এই ঘটনা। স্বাধীনতার দুর্গে আক্রমণ। এই আক্রমণ জনগণের প্রতিনিধিদের ওপর। ক্যাপিটল হিল পুলিশ তাদের রক্ষার শপথ করেছে।
জো বাইডেন আরও বলেন, ‘আমরা যা দেখছি তা হলো; অনাচারে লিপ্ত কিছু সংখ্যক উগ্রবাদী। এটি ভিন্নমত নয়, এটি ব্যাধি। এটি রাষ্ট্রদ্রোহের শামিল এবং এটি এখই শেষ হতে হবে।’
আমেরিকার আইন-প্রণেতারা যখন বাইডেনের জয় আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন করার জন্য অধিবেশনে বসেন, তখন বর্তমান প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের শত শত সমর্থক আমেরিকার আইনসভা কংগ্রেসের ভবন ক্যাপিটলে ঢুকে পড়ে। একপর্যায়ে সমাবেশ অগ্নিগর্ভে রূপ নেয়। ক্যাপিটল ভবনে সহিংসতায় চারজন নিহত হয়েছেন। এর আগে পুলিশের গুলিতে এক নারী নিহত হন। পরে মেডিকেল ইমার্জেন্সি পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় আহত আরও তিনজনের মৃত্য হয়। এখন পযন্ত ৫২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে- যাদের মধ্যে ৪৭ জন কারফিউ লঙ্ঘনের জন্য গ্রেপ্তার হন।
সূত্র: আমাদের সময়
আর/০৮:১৪/৭ জানুয়ারি









