পর্যটন

মৃত্যুর পূর্বে পৃথিবীর যে ৬টি স্থান না দেখলেই নয়!

চীনের রিড ফ্লুট গুহা

ফিচারের কভারে যেই রঙবেরঙের আলোকিত স্থানটি দেখতে পাচ্ছেন সেটি চীনের রিড ফ্লুট গুহা। ২৪০ মিটার দীর্ঘ এই গুহা প্রায় ১২০০ বছর ধরে চীনের অন্যতম আকর্ষনীয় স্থান। পানির প্রতিফলন ও আলো আধারিতে সৃষ্টি হওয়া নানান রঙের প্রাকৃতিক আলোতে স্বর্গের কোনো স্থান মনে হয় গুহাটিকে।

বলিভিয়ার সালার ডি ইউনি

বৃষ্টির মৌসুমে পৃথিবীর সবচাইতে বড় সল্ট ফ্ল্যাট পরিণত হয় পৃথিবীর সবচাইতে বড় আয়নায়। প্রাচীন অনেক গুলো লেকের সমন্বয়ে তৈরী হয়েছে সালার সালার ডি ইউনি। বৃষ্টির সময় পুরো আকাশের প্রতিবিম্ব দেখা যায় বলে এটাকে বিশাল একটি আয়না বলে মনে হয়।

মালদ্বীপের তারার সমুদ্র

ভেবে দেখুনতো, একটি সমুদ্রের সামনে বসে আছেন আপনি। আপনার সামনে সমুদ্রের ঢেউ আছড়ে পড়ছে বার বার। আর সমুদ্রের পানিতে ভাসছে অসংখ্য তারা! ঠিক এমনই একটি সমুদ্র আছে মালদ্বীপে। তবে সমুদ্রের পানিতে যেগুলোকে জ্বলজ্বল করতে দেখছেন সেগুলো তারা নয়। সন্ধ্যায় অন্ধকার হয়ে গেলেই হলেই অসংখ্য ফাইটোপ্লাঙ্কটন জ্বলজ্বল করে এই সমুদ্রের পানিতে।

আমেরিকার অ্যারিজোনার আন্টেলপ গিরিখাত

আমেরিকার অ্যারিজোনার আন্টেলপ গিরিখাতটি বহুবছর আগে পানির প্রবাহের ফলে সৃষ্টি হয়। বেশ চাপা এই গিরিখাতটিতে তেমন আলো প্রবেশ করতে না পারলেও সৃষ্টি হয় নানান রঙের। প্রাকৃতিক এই রঙের খেলার কারণে এই স্থানটি পৃথিবীর অন্যতম আকর্ষণীয় একটি স্থান হিসেবে পরিচিত।

আরও পড়ুন: বিশ্বের সেরা মধুচন্দ্রিমার স্থান মালদ্বীপ

ফিনল্যান্ডের মেরুঅঞ্চলের প্রহরী

ভাবছেন বরফের মধ্যে এগুলো কি তাই না? এগুলো ফিনল্যান্ডের মেরুঅঞ্চলের প্রহরী হিসেবে পরিচিত। কিন্তু বাস্তবে এগুলো হলো বরফে ঢেকে যাওয়া উঁচু উঁচু গাছ। তাপমাত্রা -৪০ থেকে -১৫ এর মধ্যে থাকলে এই অঞ্চলের গাছ গুলো দেখতে এরকম হয়ে যায়।

নিউজিল্যান্ডের ওয়েটোমোর জোনাকির গুহা

নিউজিল্যান্ডের ওয়েটোমোরে আছে একটি অসাধারণ গুহা। এই গুহার বৈশিষ্ট্য হলো গুহাটির ছাদে ও দেয়ালের গায়ে লেগে থাকে লক্ষ লক্ষ জোনাকি পোকা। জোনাকি পোকার আলোতেই আলোকিত হয়ে থাকে গুহাটি। দেখে মনে হয় গুহার দেয়ালে ও ছাদে মিট মিট করে জ্বলছে অসংখ্য তারা। সত্যিই অসাধারণ সুন্দর একটি স্থান তাই না?

এন এইচ, ১১ অক্টোবর

Back to top button