হবিগঞ্জ

আগস্ট মাসে বিদ্যুৎ বিল ১৪৪৯ টাকা সেপ্টেম্বর মাসে ২২ হাজার টাকা!

আগস্ট মাসে বিদ্যুৎ বিল ১৪৪৯ টাকা সেপ্টেম্বর মাসে ২২ হাজার টাকা!

ঢাকা, ১১ অক্টোবর- হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভার বিরামচর গ্রামের সৈয়দ সামছুল আহমেদ। আগস্ট মাসে তার আবাসিক মিটারে বিল এসেছিল ১৪৪৯ টাকা। একই বাসায় সেপ্টেম্বর মাসে বিল আসে ২২ হাজার টাকা। শায়েস্তাগঞ্জে পল্লী বিদ্যুৎ এর অনেক গ্রাহকই এমন ভুতুড়ে বিলের শিকার হচ্ছেন। পল্লী বিদ্যুৎ এর অতিরিক্ত বিলের কারণে প্রায়ই হয়রানির শিকার হচ্ছেন সাধারণ গ্রাহকরা। অনেককেই আবার গুনতে হচ্ছে জরিমানা।

ভুক্তভোগী গ্রাহক শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভার বিরামচর গ্রামের সৈয়দ রুজেল আহমেদ বলেন, আমার বাবার নামের মিটারে আমি বিল পরিশোধ করে থাকি। সেপ্টেম্বর মাসের বিল দেখে আমি হতবাক হয়েছি। এরকম ভুল তারা কিভাবে করে। পরে আমি পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে যোগাযোগ করলে মিটার রিডার ও বিল বণ্টনকারী আমার বাড়িতে এসে বিল ঠিক করে দিয়ে গেছে। কম্পিউটারে প্রিন্ট করতে ভুল হইছে বলে তারা দুঃখ প্রকাশ করে ২২ হাজার টাকা থেকে এখন বিল ১২৫০ টাকা করে দিছে।

শুধু রুজেল আহমেদই নন, সম্প্রতি এভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছেন শায়েস্তাগঞ্জের একাধিক সাধারণ গ্রাহক। ফলে পল্লী বিদ্যুৎ এর দায়িত্বশীল কর্মচারীদের যোগ্যতা নিয়ে ও প্রশ্ন তুলছেন কেউ কেউ।

জানা যায়, করোনা ভাইরাসের প্রভাবে চলমান লকডাউন থাকা অবস্থায় পল্লী বিদ্যুৎ এর লোকবল সংকট ছিল। তখনকার সময়ে করোনা শায়েস্তাগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে বসেই অনুমান করে পূর্বের মিটারের রিডিং দেখে বিল করা হয়েছিল। কিন্তু লকডাউন শেষ হলে ও এর বৃত্ত থেকে এখনো বের হতে পারেনি পল্লী বিদ্যুৎ। প্রতি মাসেই অনেক গ্রাহকের ভুতুড়ে বিল আসে বলে খবর পাওয়া যায়। ফলে গ্রাহকরা বিলের কাগজ সাথে নিয়ে জরুরী কাজ ফেলে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে গিয়ে অভিযোগ করেন। কারো কারো বিল ঠিক করে দেয়া হয়, আবার কারো কারো বিল জমা দেয়ার নির্দিষ্ট তারিখ শেষ হয়ে গেলে গুনতে হয় অতিরিক্ত বিলম্ব ফি।

আরও পড়ুন: সারাদেশে আরও হাইড্রোলিক এলিভেটর ড্যাম নির্মাণ করবে : কৃষিমন্ত্রী

এ বিষয়ে হবিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ এর জেনারেল ম্যানেজার মো. মোতাহার হোসেন বলেন, আসলে করোনার সময়ে আমাদের লোকবল সংকট ছিল, সে কারণে কিছু সমস্যা হয়েছিল। বর্তমানে আমরা দায়িত্ব পালন করতে করোনার ভয় না রেখেই নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।

ভুতুড়ে বিল আসার কারণ জিজ্ঞেস করলে তিনি জানান, আসলে যারা রিডিং লিখে আনেন হয়ত একটা ডিজিট ভুলে বেশি লিখে ফেলছেন, সেজন্য বিল বেশি আসছে। তবে যেকোনো সমস্যায় আমাদেরকে জানালে আমরা তাতক্ষণিকভাবে সমাধানের চেষ্টা করব।

সূত্র: সিলেটটুডে

আর/০৮:১৪/১১ অক্টোবর

Comments

Back to top button