জানা-অজানা

বিশ্বের সবচেয়ে দামি ব্যক্তিগত বিমানের মালিক কে জানেন?

বিত্তবানদের যাতায়াতের অন্যতম সেরা বাহন হল ব্যক্তিগত বিমান। বিলিয়নিয়ার থেকে সেলিব্রিটি-ব্যবসায়ীদের কাছে ব্যক্তিগত বিমান থাকা কোনও বড় বিষয় নয়। ভারতীয় ধনকুবেদের মধ্যে প্রথম সারিতে আছেন মুকেশ আম্বানি, রতন টাটা, গৌতম আদানি। তাদের সম্পত্তির পরিমাণ কোটি কোটি টাকার উপরে। বিলাসবহুল জীবনযাপন। দামি দামি গাড়ি থেকে ব্যক্তিগত বিমান, কী নেই তাদের। তবে বিশ্বের সবচেয়ে দামি ব্যক্তিগত বিমান কিন্তু এই ধনকুবেরদের হাতে নেই।

এমনই একটি বিমান রয়েছে সৌদি আরবের রাজপুত্র তথা ব্যবসায়ী আল ওয়ালিদ বিন তালাল অল সৌদের হাতে। বলা হয়, সৌদির রাজপুত্রের কাছে যে ব্যক্তিগত বিমান রয়েছে, সেটি বিশ্বের সবচেয়ে দামি।

সৌদির রাজপুত্রের ব্যক্তিগত বিমানটি বোয়িং ৭৪৭-এর। যার বাজারমূল্য ১২৪৬ থেকে ১৬৬১ কোটি টাকার মতো। কিন্তু সব মিলিয়ে মোট দাম ৪১০০ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। কেন? আসলে বিমানটিকে আরও বিলাসবহুল করা হয়েছে। ঝাঁ-চকচকে করা হয়েছে এর অন্দরসজ্জা। এর ফলেই জেটটির দাম আকাশছোঁয়া।

সৌদির রাজপুত্রের ব্যক্তিগত বিমানটি কেমন দেখতে? কী কী সুবিধা রয়েছে? এই বিমানে ৮০০ জন একসঙ্গে যেতে পারেন। ১০ আসনের ডাইনিং হলও রয়েছে বিমানের মধ্যে। এ ছাড়াও এই ব্যক্তিগত বিমানে রয়েছে বিলাসবহুল বেডরুম, প্রার্থনার ঘর। রয়েছে হোম থিয়েটার, বিনোদনের ঘর। বিশ্বের সবচেয়ে দামি এই ব্যক্তিগত বিমানে রয়েছে স্পা-ও। ‘স্টিম বাথ’-এর জন্য রয়েছে আলাদা ঘর।

ভারতীয় শিল্পপতি মুকেশ আম্বানিরও ব্যক্তিগত বিমান রয়েছে। সেটিও বিলাসবহুল। তবে সৌদি যুবরাজের এই বিমানের চেয়ে তার দাম অনেক কম। জানা গিয়েছে, আম্বানির কাছে যে ব্যক্তিগত বিমান রয়েছে, সেটির বাজারমূল্য ৬০৩ কোটি টাকা।

আরও এক শিল্পপতি গৌতম আদানির রয়েছে বেশ কয়েকটি ব্যক্তিগত বিমান। তবে সেগুলির দামও সৌদির রাজপুত্রের বিমানের থেকে অনেকটাই কম।

রতন টাটার কাছেও রয়েছে বিলাসবহুল ব্যক্তিগত বিমান। যার দাম ২০০ কোটি টাকারও বেশি।

ইলন মাস্ক, বিল গেটস, জেফ বেজোসদের কাছেও ব্যক্তিগত বিমান রয়েছে। তবে সেগুলির দামও সৌদির রাজপুত্রের বিমানের থেকে অনেকটাই কম।

যার কাছে এত দামি ব্যক্তিগত বিমান রয়েছে, তার সম্পত্তি কত? ফোর্বস সূত্রে খবর, সৌদির রাজপুত্রের মোট সম্পত্তির পরিমাণ ১.৫৫ লক্ষ কোটি টাকা। সেই তুলনায় মুকেশ আম্বানির সম্পত্তির পরিমাণ ঢের বেশি। রিলায়্যান্স কর্ণধারের মোট সম্পত্তির পরিমাণ ৭৯ লক্ষ ৫৮ হাজার কোটি টাকারও বেশি।

আইএ/ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩


Back to top button
🌐 Read in Your Language