জাতীয়

সোমবার যেসব এলাকায় ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে

ঢাকা, ১৬ জুলাই – ঢাকা-১৭ আসনে উপ-নির্বাচনের ভোটগ্রহণ ঘিরে আগামীকাল সোমবার (১৭ জুলাই) নির্বাচনী এলাকা গুলশান, ক্যান্টনমেন্ট ও বনানীর সব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। তবে নির্বাচনী এলাকায় অবস্থিত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয়ের (যদি থাকে) অত্যাবশ্যকীয় বিভাগগুলো সীমিত পরিসরে খোলা থাকবে।

নির্বাচন সংশ্লিষ্ট এলাকায় বন্ধ থাকবে মোবাইল সার্ভিসেস প্রোভাইডার (এমএফএস), পেমেন্ট সিস্টেম অপারেটর (পিএসও) এবং পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার (পিএসপি) প্রতিষ্ঠান। তবে ওইসব এলাকায় এমএফএস, পিএসও এবং পিএসপির প্রধান কার্যালয় থাকলে সেগুলো সীমিত পরিসরে খোলা থাকবে।

একই দিন আরও সাতটি পৌরসভা এবং উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের সাধারণ নির্বাচন ও শূন্যপদে উপ-নির্বাচন উপলক্ষে সংশ্লিষ্ট এলাকায় তফসিলি ব্যাংকের শাখা ও উপশাখা বন্ধ থাকবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রজ্ঞাপনে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের গত ১২ জুলাইয়ের প্রজ্ঞাপন মোতাবেক আগামীকাল সোমবার ঢাকা-১৭ শূন্য আসন ও ৭টি পৌরসভার (পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া পৌরসভা, চাঁদপুর জেলার ছেংগারচর পৌরসভা, কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার পৌরসভা, যশোর জেলার বেনাপোল পৌরসভা, চট্টগ্রাম জেলার দোহাজারী পৌরসভা, শরীয়তপুর জেলার গোসাইরহাট পৌরসভা ও সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ পৌরসভা) সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন উপলক্ষে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় অবস্থিত তফসিলি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর আঞ্চলিক কার্যালয়সহ সব শাখা বা উপশাখা বন্ধ থাকবে।

একই দিনে রাজশাহীর বাঘা উপজেলা পরিষদের শূন্য পদের উপনির্বাচন ও দেশের ২৯টি ইউনিয়ন পরিষদের সাধারণ নির্বাচন এবং ১১টি ইউনিয়ন পরিষদের (নির্বাচনী এলাকার তালিকা) শূন্য পদের উপনির্বাচন উপলক্ষে সংশ্লিষ্ট এলাকায় শাখা বা উপশাখা বন্ধ থাকবে। এছাড়া আগামী বুধবার (১৯ জুলাই) চট্টগ্রাম জেলার সন্দ্বীপ উপজেলা পরিষদের শূন্য পদের উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

নির্বাচন উপলক্ষে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় অবস্থিত তফসিলি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শাখা বা উপশাখা বন্ধ থাকবে।

এদিকে সোমবারের ভোট ঘিরে রোববার দিনগত রাত ১২টার পর থেকে নির্বাচনী এলাকায় সাধারণভাবে ট্রাক, মিনিবাস, মাইক্রোবাস, জিপ, পিকআপ, কার ও ইজি বাইক চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে।

রাজধানীর গুলশান, বনানী, ভাসানটেক থানা ও সেনানিবাস এলাকা নিয়ে গঠিত ঢাকা-১৭ আসনের উপ-নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রয়েছেন আটজন। তাদের মধ্যে দলীয় প্রার্থী হচ্ছেন আওয়ামী লীগের মোহম্মদ আলী আরাফাত, জাতীয় পার্টির সিকদার আনিসুর রহমান, জাকের পার্টির কাজী মো. রাশিদুল হাসান, তৃণমূল বিএনপির শেখ হাবিবুর রহমান, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. রেজাউল ইসলাম স্বপন ও বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তি জোটের মো. আকবর হোসেন। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর মো. আশরাফুল আলম (হিরো আলম) এবং মো. তারিকুল ইসলাম।

গত ১৫ মে চিত্রনায়ক আকবর হোসেন পাঠান (ফারুক) মারা যাওয়ায় ঢাকা-১৭ আসনটি শূন্য ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।

আসনটিতে উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ হবে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে। তবে সব ভোটকেন্দ্রের ভোটকক্ষে সিসি ক্যামেরা থাকবে। ১২৪টি ভোটকেন্দ্রের ৬০৫টি ভোটকক্ষে ভোটগ্রহণ হবে।

এ আসনে মোট ভোটার তিন লাখ ২৫ হাজার ২০৫ জন। এরমধ্যে নারী ভোটার এক লাখ ৫৩ হাজার ৫৮০ জন।

সূত্র: জাগো নিউজ
আইএ/ ১৬ জুলাই ২০২৩

Back to top button