কুষ্টিয়া

অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বেই বাঘা যতীনের ভাস্কর্য ভাঙা হয়: এসপি

এস এম রাশেদ

কুষ্টিয়া, ১৯ ডিসেম্বর- কলেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে দ্বন্দ্বের জেরেই কুষ্টিয়ায় বিপ্লবী বাঘা যতীনের ভাস্কর্য ভাঙচুরের পরিকল্পনা করে যুবলীগ নেতা আনিস। দুই সহযোগীসহ তাকে গ্রেফতারের পর এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার।

এ ঘটনায় শনিবার (১৯ ডিসেম্বর) আনিসকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে জেলা যুবলীগ। গ্রেফতার তিনজনকেই জিজ্ঞাসাবাদে নিতে সাতদিনের রিমান্ড চেয়েছে পুলিশ।

এদিকে, ভাঙচুরে জড়িতদের শাস্তি নিশ্চিতের দাবিতে বিভিন্ন স্থানে মানববন্ধন হয়েছে।

কুষ্টিয়ায় বিপ্লবী বাঘা যতীনের ভাস্কর্য ভাঙচুরের ঘটনা নিয়ে শনিবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন পুলিশ সুপার।

তিনি জানান, ঘটনার পরই জড়িতদের শনাক্তে অভিযান শুরু হয়। আটক করা হয় মূল পরিল্পনাকারী কয়া ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি আনিসুর রহমান আনিসকে। পরে তার দেওয়া তথ্যমতে, গ্রেফতার করা হয় সহযোগী সবুজ ও হৃদয়কে। জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসে ভাস্কর্য ভাঙার মূল রহস্য।

কুষ্টিয়া পুলিশ সুপার এস এম তানভীর আরাফাত বলেন, তাদের কলেজ কমিটি নিয়ে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ছিল। আমাদের পাওয়া তথ্য মতে, সেই দ্বন্দ্বের কারণেই ভাস্কর্য ভাঙা হতে পারে।

বাঘা যতীনের ভাস্কর্য ভাঙচুরের প্রতিবাদে কুষ্টিয়ায় মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। জড়িতদের বিচার দাবিতে মানববন্ধন হয়েছে ঝিনাইদহে। এতে আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

এদিকে, আনিসকে বহিষ্কারের তথ্য জানিয়ে ব্যক্তিগত অপকর্মের দায় দল নেবে না বলে জানান কুষ্টিয়া জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল ইসলাম স্বপন।

আরও পড়ুন : বিদেশি ব্যবসায়ী সেজে কোটি টাকার প্রতারণা, গ্রেফতার পাঁচ প্রতারক

তিনি বলেন, আমরা পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করেছি। অভিযোগ পাওয়ার পরই আমরা আনিসকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করেছি।

বৃহস্পতিবার (১৭ ডিসেম্বর) দিনগত রাতে কুষ্টিয়ার কয়া মহাবিদ্যালয়ে বিপ্লবী বাঘা যতীনের ভাস্কর্য ভাঙচুর করা হয়। এ ঘটনায় শুক্রবার, কুমারখালী থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করেন কলেজ অধ্যক্ষ হারুন অর রশীদ।

সূত্রঃ সময় নিউজ
আডি/ ১৯ ডিসেম্বর


Back to top button
🌐 Read in Your Language